‘পদত্যাগ করুন যোগী আদিত্যনাথ’, হাথরাস গণধ’র্ষণ কাণ্ড নিয়ে বিস্ফোরক দাবি প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর

উত্তরপ্রদেশের হাথরাসের বুলাগাড়ি গ্রামের বাসিন্দা গণধর্ষিতা এবং নির্যাতিতা তরুণীর মৃত্যুর পর উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের পদত্যাগ চেয়ে একাধিক টুইট করলেন কংগ্রেসের সাধারন সম্পাদক প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢড়া। তিনি জানান, উত্তরপ্রদেশের ওই নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে যখন ফোনে কথা বলছিলেন তিনি, তখনই ওই তরুণীর মৃত্যুর খবর আসে। ফোনেই কান্নায় ভেঙে পড়েন ওই নির্যাতিতার বাবা।

প্রিয়াঙ্কা লিখেছেন, নির্যাতিতার বাবা যখন তার মেয়ের মৃত্যুর খবর জানতে পারলেন, সেসময় প্রিয়াংকা তার সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলেন। প্রিয়াঙ্কা আরও লিখেছেন, আমি ওই নির্যাতিতার বাবাকে ফোনে কাঁদতে শুনেছি! অপর একটি টুইটে তিনি লিখেছেন, নির্যাতিতার বাবা আমাকে জানিয়েছেন, তিনি শুধু তার সন্তানের উপযুক্ত ন্যায় বিচার চান। গতরাতে তাকে তার মেয়ের দেহ শেষবারের মতো নিজের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার অনুমতিটুকুও দেওয়া হয়নি। তিনি তার সন্তানের শেষকৃত্য করার সুযোগটুকুও পেলেন না।

এর পরেই উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন প্রিয়াঙ্কা। মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে তিনি বলেছেন, উত্তর প্রদেশের সরকার নির্যাতিতা তরুণী এবং তার পরিবারকে রক্ষা করার বদলে বরং মৃতা তরুণীর দেহের উপরে তার পরিবারের শেষ অধিকারটুকুও কেড়ে নিল। এই ঘটনার পরে যোগী আদিত্যনাথের উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকার কোনো অধিকার থাকলো না।

উল্লেখ্য, এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গেল, হাসরাথের ওই নির্যাতিতা তরুণীর বাবা উত্তরপ্রদেশের দায়িত্বে থাকা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে ফোনে কথা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। কথা বলতে না পেরে তিনি ফোনটি অপর এক আত্মীয়ের হাতে দিয়ে দেন।

প্রিয়াঙ্কা জানতে চান, মৃতা তরুনীর দেহটি তারা গ্রামে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চান কিনা এবং তারা এর পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে কি করতে চাইছেন। প্রিয়াঙ্কার প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে ওই তরুণীর আত্মীয়ের সাফ জবাব, তারা এই ঘটনার উপযুক্ত ন্যায় বিচার চান। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ফাঁসি চান।