উইকেট পড়লো মমতার! দিল্লি ছুটলেন শতাব্দী

আসন্ন একুশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে তৃণমূল সরকারের দল ভাঙছে বিজেপি। বর্তমানে নিত্যদিনই একের পর এক সাংসদ, বিধায়ক, নেতাকর্মী তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করার খবর প্রকাশ্যে আসছে। নির্বাচন পর্যন্ত এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তৃণমূল দল ত্যাগীরা সকলেই দলে বিরুদ্ধে একাধিক ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। সেই দলে নতুন নাম লিখিয়েছেন বীরভূমের তৃণমূল নেত্রী শতাব্দি রায়।

সম্প্রতি তার কার্যকলাপ এবং বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে কেন্দ্র করেও রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। গতকাল ফেসবুকে একটি ফ্যান পেজে তিনি আভাস দিয়েছিলেন, দলের অন্যান্যদের মতো শীঘ্রই দল ত্যাগ করতে পারেন তিনি। দলের বিরুদ্ধে একাধিক ক্ষোভ তিনিও উগরে দিয়েছেন। এবার তারাপীঠের উন্নয়ন পর্ষদ থেকে পদত্যাগ করলেন তৃণমূল নেত্রী।

শুক্রবারেই তারাপীঠের উন্নয়ন পর্ষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন শতাব্দি রায়। পাশাপাশি, আজই দিল্লি যাচ্ছেন তিনি। আগামীকাল বা পরশু কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করার কথা আছে তার। ঘটনা প্রসঙ্গে তার দলবলের গুঞ্জন ক্রমেই যেন নিশ্চয়তার দিকে এগোচ্ছে। এদিকে বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় সম্প্রতি দাবি করেছেন, অনতিবিলম্বেই তৃণমূল থেকে অন্তত ৪১ জন বিধায়ক বিজেপি দলের সদস্য পদ লাভ করতে চলেছেন!

মোট কথা, একুশের নির্বাচন এবং তাকে কেন্দ্র করে দলবদলের এই মরসুমে রাজনীতির পারদ ঊর্ধ্বমুখী। এবার সেই পারদ আরও একধাপ চড়ালেন বীরভূমে তৃণমূলীয় সাংসদ শতাব্দি রায়। বিজেপি দলে যোগ দেবেন কিনা তা তিনি নিজে মুখে অবশ্য এখনো স্বীকার করেননি। তবে তার হাবভাব এবং কথাবার্তা শুনে রাজনীতিবিদরা ধরেই নিচ্ছেন, শতাব্দি রায়কে কেন্দ্র করে বিজেপির পাল্লা আবার ভারী হতে চলেছে।