অতি থেকে অতি গভীর নিম্নচাপ বঙ্গোপসাগরে, পুজোর সময় সংকট হিসেবে দেখা দিতে পারে প্রবল বৃষ্টিপাত

বেশীদিন হয় নি আম্ফানের, এর মধ্যেই নাকি আরেক ঘূর্ণিঝড়ের আগমন। শক্তি নামক এই ঘূর্ণিঝড়ের ফলে উৎসবের আগে সবাই চিন্তার মধ্যে। এমনিতেই করোনা পরিস্থিতি তার ওপরে এই ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডব যা কিনা সব কিছু ওলোট পালট ক্রে দিতে সক্ষম। বিশেষ করে ভয় তাদের যারা কিনা উপকূলের কাছে বসবাস করে। তারা এখন সিঁদুরে মেঘ দেখতে শুরু করে দিয়েছে। নিম্নচাপের দাপট সত্যিই অস্বস্তির মধ্যে বিভিন্ন রাজ্যের মানুষ। আজ আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশের স্থলভাগের মধ্যে ঢুকতে চলেছে নিম্নচাপ যার গতিবেগ থাকবে ৭৫-৮০ কিমির মধ্যে।

আর সেই কারণেই ইতিমধ্যে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। বিশেষ করে দক্ষিণ বঙ্গের কথা বলতে গেলে সেখানে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। সাথে বজ্রবিদ্যুত এদিকে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ও আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তি। অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা, ছত্তিশগড়, কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র তেলেঙ্গানা সব জায়গায় একটা ভারী প্রভাব পরবে বলে জানা গেছে। তবে তুলনামূলক বাংলার জন্য ভালো খবর, তেমন একটা প্রভাব পরবে না এখানে। তবে স্বাভাবিকভাবেই উপকূলের জেলাগুলোর ওপরে ভারী বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুত এই সবের কম বেশী দাপট থাকবেই।

সামনেই পুজো, এবার পুজোর মধ্যে কি বৃষ্টির উপস্থিতি থাকবে? সেটা নিয়েই অনেকে প্রশ্ন করছে। তবে এখনও পুজোর মধ্যে বৃষ্টি থাকছে কিনা সেটা বলা সম্ভব হচ্ছে না। আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দক্ষিণ বঙ্গের আবহাওয়া ঝড় জলের মধ্যেই কাটবে। দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ু এখন অবস্থান করছে আন্দামান ও ওড়িশা দ্বীপ পুঞ্জের কাছ হয়ে এদিকে আবার হিমালয়ের পাদদেশ হয়ে সিকিম পর্যন্ত। তাই ঝড়ের দাপট তেমন একটা না পরলেও হালকা মাঝারী বৃষ্টির প্রভাব পশ্চিমবঙ্গের ওপরে পরবেই।।