পরিবর্তন হচ্ছে জলবায়ু, আমফান-নিসর্গের থেকেও বড় ধ্বংসলীলার আশঙ্কা ভারতে

প্রতীক ছবি

আমফান, নিসর্গ দিয়ে সবে শুরু। মাঝে বিরতি! তারপরে আরও প্রাকৃতিক দূর্যোগকে আপন করে নিতে হবে ভারতকে। লাগাতার প্রাকৃতিক দূর্যোগের ফলে ভারতের জলবায়ুতে বিশাল রকমের পরিবর্তনও অবশ্যম্ভাবী। এমন তথ্যই উঠে আসছে গবেষকদের তরফ থেকে। আগামী ৮০ বছরে চিরাচরিত জলবায়ু থেকে প্রতিকূল জলবায়ু তৈরী হতে পারে ভারতের মানচিত্রে।

এতে, সমাজজীবন বিধ্বংসীকারী বিভিন্নরকম দূর্যোগ-ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খড়া ভূমিকম্পের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। করোনা আবহে অর্থনীতির কঙ্কালসার চেহারা স্বাভাবিক হওয়া সময়সাপেক্ষ। এমন সময়ে এই তথ্যে গোদের উপর বিষফোঁড়ার দুশ্চিন্তাই করছে বিশেষজ্ঞরা।

প্রতিকূলতা আগাম সতর্কবার্তা হিসেবে প্রতিটি দেশকে বারংবার গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমনের পরিমাণ কমাতে সতর্কবার্তারও প্রচার করা হচ্ছে। সৌদি আরবের এক বিশ্ববিদ্যালয় আব্দুলাজিজ-এর প্রফেসর মনসুর আলমাজৌরি (Mansour Almazroui) বলেন, “একুশ শতকে ভারতের বার্ষিক সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়েছে। আরও বাড়তে পারে। ভারতের মত জনঘনত্ব বহুল দেশে এমনিতেই প্রকৃতি খামখেয়ালি। পূর্বাভাস মতে, অনুমানিক একুশ শতকের বাকি সময়েই হয়তো ভারত ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে।”

আর্থ সিস্টেমস অ্যান্ড সায়েন্স’-এই জার্নালের একটি রিপোর্টও ভারতকে নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। শুধুমাত্র তীব্র তাপপ্রবাহ বা উষ্ণতার বৃদ্ধু ছাড়াও ভয়াবহ বন্যার সম্ভাবনার রয়েছে বলে জানান তারা। যার ফলে রিপোর্টে মনে করা হচ্ছে বন্যায় সবচেয়ে উত্তর-পশ্চিম ভারতের অনেকাংশ। তাপমাত্রাবৃদ্ধির কারণে ফলে হিমবাহের বরফ গলে পৃথিবীতে জলস্তরের পরিমাণ বাড়ছে। যার ফলে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত-বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।