শ্ম’শা’নে রো’গী’র আত্মীয় সে’জে মারলেন ঢুঁ, মৃ’ত’দে’হ পোড়াতেও দা’লা’লচ’ক্র দেখে হতবাক বিচারপতি

করোনায় জর্জরিত ভারত বর্ষ। কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে চারিদিকে শুধু মৃত্যু-মিছিল, অক্সিজেনের জন্য হাহাকার, স্বজন হারানোর তীব্র ব্যথা-যন্ত্রণা, চিকিৎসা পাওয়ার জন্য মুমূর্ষু রোগীর করুণ আর্তি! অথচ এর মাঝেও একদল “মানুষ” (?) আছেন যারা এই সংকটজনক পরিস্থিতির সুযোগ নিতে চাইছেন। করোনা জর্জরিত মানুষকে নাজেহাল করে ছাড়ছেন। এমনকি মৃত মানুষের থেকেও টাকা আদায় করতে ছাড়ছেন না তারা!

করোনা আতঙ্কের আড়ালে ব্যবসা ফেঁদে বসেছেন এরকমই কিছু মানুষ। একদিকে চিকিৎসার পরিসেবা পেতে নাজেহাল হয়ে পড়ছেন রোগী এবং তার পরিবার। অপরদিকে করোনা আক্রান্ত এর মৃত্যু হলেও কিন্তু শান্তি নেই। কারণ রোগীর দেহ সৎকারকে ঘিরে চলছে আরেক জঘন্য ব্যবসা। রাজস্থানের উদয়পুরে সম্প্রতি সেই চিত্রই ধরা পড়লো।

রাজস্থানের উদয়পুরের শ্মশানে রোগীর মৃতদেহ পোড়াতে গেলে আগে দালালদের হাতে ১৫-২০ হাজার টাকা তুলে দিতে হবে। তবেই দেহ পোড়ানোর অনুমতি মিলবে। এমনকি রোগীর যদি করোনাতে মৃত্যু নাও হয়ে থাকে তবুও তার পরিবারকে ৩-৫ হাজার টাকা দিতে হবে। তবে এই টাকা শুধুমাত্র শ্মশানে পোড়ানোর অনুমোদন মাত্র। এরপর সৎকারের জন্য আবার আলাদা খরচ রয়েছে!

বিষয়টি জানতে পেরে সম্প্রতি মৃত রোগীর আত্মীয় সেজে শ্মশানে উপস্থিত হন উদয়পুর জেলা আদালতের বিচারপতি কুলদীপ সূত্রকার। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখে রীতিমত অবাক তিনি। সাধারণের থেকে অভিযোগ পেয়ে খোদ শ্মশানে উপস্থিত হয়ে দালাল চক্র তিনি স্বচক্ষে দেখেছেন। এরপর স্থানীয় প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। তার উদ্যোগে শেষমেষ উদয়পুরের শ্মশান দালালচক্র মুক্ত হতে পেরেছে।