কন্যা সন্তান দত্তক নেওয়ার চাহিদা বাড়ছে দেশজুড়ে, সমীক্ষায় উঠে এলো তথ্য

কিছু তো একটা ভালো হচ্ছে ২০২০ তে, সম্প্রতি একটি রিপোর্ট পেশ করেছে চাইল্ড অ্যাডপশন রিসোর্স অথরিটি, তারা জানিয়েছে দেশে এখন কন্যা সন্তান দত্তক নেওয়ার ঝোক বাড়ছে। তারা যে তথ্য পেশ করেছে সেখানে দেখা যাচ্ছে গত বছর দেশের মোট ৩ হাজার ৫৩১ জন শিহসু দত্তক নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ২ হাজার ৬১ জন মেয়ে সন্তান ও বাকি ১ হাজার ৪৭০ জন ছেলে সন্তান। তারা আরও বলেছেন, আসলে দত্তক নিতে এলে অভিভাবকদের ৩ টি অপশন দেওয়া হয় যার মধ্যে ছেলে, মেয়ে কিংবা সংস্থার বেছে দেওয়া কাউকে। কিন্তু সেখানে দেখা গেছে বেশীরভাগ মেয়ে সন্তানকেই বেছে নিয়েছে।

আর এর ফলে সমাজে মেয়েদের গ্রহণ যোগ্যতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু এই নিয়ে বিভিন্ন জনের বিভিন্ন মত রয়েছে, আর তারা জানিয়েছে কন্যা সন্তানের সংখ্যা অনেকটাই বেশী, তাই এদের বেশী দত্তক নেওয়া হচ্ছে। কারণ অনেক পরিবার মেয়ে হলেই তাদের জন্মের পরে পরিত্যাগ করে কন্যাভ্রুণ হত্যা করার মতো দণ্ডনীয় কাজ করে থাকে। তাই দত্তক কেন্দ্র গুলোতে মেয়ের সংখ্যা এই কারণেই বৃদ্ধি পায়।

তবে এই নিয়ে সরকারী তথ্য বলছে, গত বছরে ৩ হাজারের মতো শিশু দত্তক নেওয়া হয়েছে যা সদ্যোজাত থেকে ৫ বছর পর্যন্ত। এদিকে আবার ৫ থেকে ১৮ বছর পর্যন্ত ৪১১ টি শিশুকে দত্তক নেওয়া হয়েছে। চাইল্ড অ্যাডপশন রিসোর্স অথরিটি জানিয়েছে, বেশীরভাগ অভিভাবক পিতৃত্বের ও মাতৃত্বের আনন্দ উপভোগ করতেই ২ বছরের শিশুকে দত্তক নিতে চায়। তবে পরিতক্ত্য ও অসহায় শিশুকে দত্তক নেওয়া মানেই যে তাদের সুস্থ জীবন ও আদর্শ জীবন উপহার দেওয়া সেটা অনেক সময় হয়ে ওঠে না।

আর সেই কারণের জন্যই প্রতিবন্ধকতা যুক্ত শিশুকে দত্তক নেওয়ার নজির খুবই কম। তবে চাইল্ড অ্যাডপশন রিসোর্স অথরিটির তথ্যে দেখা গেছে দেশে মহারাষ্ট্র দত্তক নেওয়ার ক্ষেত্রে সবার আগে। তারপরে কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ, ওড়িশা।