‘মুম্বইয়ের তাজ হোটেল বোম দিয়ে উড়িয়ে দেওয়া হবে’, পাক ফোন নাম্বার থেকে হুমকি

এবার সেই ২৬/১১ র ঘটনার পুনরাবৃত্তি? এবার ফের নাকি হুমকি এসেছে পাকিস্তানের একটি নম্বর থেকে, যে এবার তাজ হোটেল বোম দিয়ে উড়িয়ে দেওয়া হবে। আর এই ফোন কল গতরাতেই এসেছে, তার পর থেকেই একেবারে কড়া নিরাপত্তার বেড়াজালে আবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে সব। এখন এই কারণেই টাটা গোষ্ঠীর দুটি বিশেষ হোটেলে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা।

গতকাল রাত ঠিক ১২ টার দিকে পাকিস্তানের জঙ্গী গোষ্ঠী লস্করী তৈবা জঙ্গী গোষ্ঠীর নাম করে হুমকি দেয় যে, বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়া হবে তারজ হোটেল ও সাথে আরও কেওটি হোটেল সেটার নাম বান্দ্রার তাজ ল্যান্ডস হোটেল। দুই হোটেলেই গতকাল রাতে ফোন আসে, আর সেকাহ্নে বলা হয় এই কথাই। এর পরেই সাথে সাথে জানানো হয় পুলিশ ওগোয়ান্ডাকে, তারা যখন মোবাইল নম্বত ট্রেস করে দেখে, আসলে ফোনটি এসেছিল করাচী থেকে। যে ব্যক্তি ফোন করেছিল, তিনি নিজেকে লস্করী তৈবার সদস্য বলে নিজেকে দাবি করে।

এরপরেই আতঙ্কের সৃষ্টি হয় সেখানে, কোনোভাবেই যাতে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি না হয় সেটাই এখন দেখা হচ্ছে, দুই হোটেল এখন অতিথি শূন্য, কারণ করোনার কারণ এসব ফাকা, কিন্তু হোটেল কর্মীরা সেখানে যাতায়াত করে। সব দিক থেকে গোয়েন্দা ছড়িয়ে পড়েছে, কোনোভাবেই এই ভুল আর করা যাবে না। সেই দিনের কথা কে ভুলতে পারে ২০০৮ সালের নভেম্বর মাস, ২৬ তারিখ। সেই তাজ হোটেলে চালায় সন্ত্রাস হামলা, সেখানে থাকা ১৬৬ জন মানুষ মারা যায়।

সাথে অগণিত মানুষ জখম হয়, সেই দিনের কথা মনে পরলে গায়ের রক্ত এখনও হিম হয়ে আসে। অনেক বিদেশ থেকে আসা নাগরিকদের মৃত্যু হয়। মোট ৯০ ঘন্টার মতো এই সন্ত্রাস হামলা চলে, মোট ৯ বারের মতো হামলা চলে, আর সেই হামলাতেই অনেক পুলিশ অফিসার মারা যায়।বিজয় সালাসকর, শশাঙ্ক শিন্ডে, এন এস জি মেজর সন্দীপ উন্নিকৃষ্ণণ ও আরও অনেকে। পরে অবশ্য পাকরাও করা হয় এই হামলার মূল মাস্টার মাইনকে, আজমাল কাসভকে, যাকে ২০১২ সালে ২১ নভেম্বর ফাঁসি দেওয়া হয়।