বা’ড়ি’তে বি’দ্যু’তে’র সাহায্যে তৈ’রি করুন অ’ক্সি’জে’ন! বি’পদ’ ঘ’নি’য়ে আসার আগেই প্র’স্তু’ত থাকুন

করণা দ্বিতীয় ঢেউ প্রায় শেষ করে দিচ্ছে আমাদের সকলকে। ইতিমধ্যেই প্রায় লক্ষাধিক মানুষ আক্রান্ত হয়েছে করণাতে। দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা রীতিমতো ধুঁকছে। রাজ্যের হাসপাতাল অথবা নার্সিংহোমে আস্তে আস্তে ফুরিয়ে যাচ্ছে অক্সিজেন। করোনা রোগীর জন্য তাই হাতের কাছে অক্সিজেন সরবরাহের জন্য আপনাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। এই ব্যাপারে স্ট্যান্ডার অক্সিজেন কনসেনট্রেট আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

করোনাভাইরাস সবথেকে বেশি দুর্বল করে দেয় ফুসফুস কে। যারা আগে থেকেই শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের কাছে বেশি অক্সিজেন রাখা উচিত হাতের কাছে। হাঁপানি ছাড়াও দীর্ঘস্থায়ী বনকাইটিস, সিস্টিক ফাইব্রোসিস, ফুসফুসের ক্যান্সার, নিউমোনিয়া, পালমোনারি ফাইব্রোসিস অথবা স্লিপ এপনিয়ার মত রোগ যাদের রয়েছে, তাদের হাতের কাছে রাখতে হবে অক্সিজেন সিলিন্ডার।

বিপদ কালে ঠিক কতখানি অক্সিজেন দিতে হবে রোগীকে এটিই একমাত্র বলতে পারেন ডাক্তার। ফুসফুস পরীক্ষা করে ডাক্তার বলতে পারেন যে একটি রোগীর প্রতি মিনিটে কতটা অক্সিজেন প্রয়োজন। যাদের স্লিপ এপনিয়ার মত রোগ রয়েছে তাদের, ঘুমের মধ্যে দিতে হয় অক্সিজেন। শারীরিক পরিশ্রম হলে অনেক জনকে অক্সিজেন দিতে হয় কিছুক্ষণের জন্য। আবার কিছু কিছু বয়স্ক কে সারা দিন অক্সিজেন সাপোর্ট দিতে হয়।

এবার জানা যাক স্ট্যান্ডার্ড অক্সিজেন কনসেনট্রেটেড আসলে কি, এই সিলিন্ডারটি একেবারেই অন্যরকম অক্সিজেন সিলিন্ডারের থেকে। এটি দেখতে অনেকটা চাকা লাগানো সুটকেসের মত। যন্ত্রটা একটু ভারী হয়। এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাবার জন্য তলায় চাকা লাগানো থাকে। প্লাগ ইন করার পর এটি বিদ্যুতের সাহায্যে বাতাস থেকে অক্সিজেন তৈরি করতে পারে। অনেক সময় এটি মোটর ব্যাটারি চালিত হয়ে থাকে।

পোর্টেবল অক্সিজেন কনস্টিটিউশন বেশিরভাগ সময় ব্যাটারিচালিত হয়। এটিকে যাওয়া-আসার সময় ও সহজে বহন করতে পারেন আপনি। এদের মধ্যে একটি প্লাস্টিকের নল থাকে। এর মুখে দুটি প্রান্ত থাকে যা রোগীর নাকে প্রবেশ করিয়ে দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে হালকা শুকনো ভাব থাকে নাকে।

এছাড়া থাকে মাক্স। যেটিকে মুখে বসিয়ে দিলে সেখান থেকে অক্সিজেন সরবরাহ করা যায়। তবে এটি পড়ে থাকলে খাওয়ার সময় খুব অসুবিধা হয়। অনেকে আবার ট্রানসলেশনাল সাহায্য নেন, যার সাহায্যে গলার মধ্যে প্রবেশ করিয়ে দেওয়া হয় এবং সরাসরি শ্বাসনালীতে অক্সিজেন যায়।