হাতে মাত্র ২ মাস, স্কুল না খোলায় প্র্যাক্টিকাল পরীক্ষা নিয়ে সংশয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পড়ুয়ারা

করোনাকালে একদিনও স্কুলে গিয়ে ক্লাস করা সম্ভব হয়নি। বাড়িতে বসেই অনলাইনে যে যেমন পেরেছেন পড়াশোনা চালিয়েছেন। অনেকের কাছে তো আবার সেই সুযোগটুকুও নেই। করোনাকালে কার্যত চূড়ান্ত অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন চূড়ান্ত বর্ষের পড়ুয়ারা। বিশেষত, চলতি শিক্ষাবর্ষের মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা। এরই মধ্যে আবার পরীক্ষার ঘন্টাও বেজে গিয়েছে। আর বেশি দেরি নেই। আগামী মার্চ মাসেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের প্রাকটিক্যাল পরীক্ষার দিনক্ষণ ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে।

তবে করোনাকালে একদিনও যে হাতে কলমে প্র্যাকটিক্যাল করার সুযোগ পেলেন না চলতি শিক্ষাবর্ষের পড়ুয়ারা! এখনো স্কুল খোলার অনুমতি পাওয়া যায়নি। এমতাবস্থায় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুসারে আগামী ১০ থেকে ৩১শে মার্চ পর্যন্ত প্রাকটিক্যাল পরীক্ষা নেওয়া হলে ছাত্রছাত্রীরা কিভাবে তা দিতে পারবেন সেই নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগে ভুগছেন তারা। উল্লেখ্য, উচ্চ শিক্ষা সংসদের নির্দেশ অনুসারে ২০শে এপ্রিলের মধ্যে চূড়ান্ত বর্ষের পড়ুয়াদের প্রাকটিক্যাল পরীক্ষার নম্বর সংসদে পাঠাতে হবে।

এদিকে শিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকদের বক্তব্য, করোনার টিকা প্রদান কর্মসূচি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত স্কুল কলেজ চালু করার পক্ষে সায় দিচ্ছে না রাজ্য সরকার। তবে চূড়ান্ত বর্ষের পড়ুয়াদের জন্য অবশ্য পর্যায়ক্রমে ক্লাস শুরু করা যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিগত দশ মাস ধরে টানা বন্ধ থাকার দরুন স্কুল কলেজ গুলি এমনিতেই অপরিচ্ছন্ন রয়েছে। তাই শিক্ষা দপ্তরের তরফ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে যথাযথ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা এবং স্যানিটাইজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাজ্য শিক্ষা দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, চলতি মাসেই আংশিকভাবে স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত বিবেচনার করছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী। সব মিলিয়ে এখনো চূড়ান্ত উদ্বেগে ভুগছেন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা। তবে রাজ্য শিক্ষা দপ্তর শীঘ্রই এ বিষয়ে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।