চাঁদের মাটিতে বড় উদ্যোগ নাসার, আহ্বান জানালেন বিভিন্ন দেশের প্রাইভেট ফার্মকে

প্রতীক ছবি

এবার চাঁদ থেকে খনিজ পদার্থ এনে পৃথিবীতে তা বিক্রি করার উদ্যোগ গ্রহণ করতে চলেছে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসা। ইতিমধ্যেই সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার জন্য নানা পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করে দিয়েছে আমেরিকার এই মহাকাশ গবেষণা সংস্থাটি। পাশাপাশি, চাঁদের মাটি থেকে খনিজ পদার্থ আহরণ করে পৃথিবীতে বাজারজাতকরণ করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা গুলিকে এই প্রকল্পে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে নাসা।

নাসার পরিকল্পনা অনুযায়ী, চাঁদের মাটিতে খনিজ পদার্থের অনুসন্ধান করার পাশাপাশি, এই প্রকল্পের মাধ্যমে পৃথিবীর মাটিতে খনিজ পদার্থের উৎস সম্পর্কেও অনুসন্ধান চালানো যাবে। ২০২৪ সালের মধ্যেই এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগোচ্ছে নাসার গবেষকদল। এরমধ্যে ২০২৪ সালের মধ্যে চাঁদের মাটিতে প্রথম মহিলা মহাকাশচারী ও পুরুষ মহাকাশচারী পাঠানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

২০২৪ সাল থেকে চাঁদের মাটিতে খনিজ পদার্থের অনুসন্ধানে খননকার্য চালাতে উৎসাহী নাসা। নাসার অ্যাডমিনিস্ট্রেটর জিম ব্রাইডেনস্টাইন জানিয়েছেন, চাঁদের ধুলো থেকে বা পাথর থেকে খনিজ পদার্থের উপস্থিতি সন্ধানের জন্য ইতিমধ্যেই বিশ্বের সমস্ত বেসরকারি ফার্মকে নাসার তরফ থেকে আহ্বান জানানো হচ্ছে। খনিজ পদার্থের সন্ধান দিতে পারলেই নাসার তরফ থেকে ১৫ থেকে ২৫ হাজার ডলার পুরস্কার পাবে কোম্পানিগুলি।

ইতিমধ্যে বিশিষ্ট শিল্প গোষ্ঠী কমার্শিয়াল স্পেশফ্লাইট ফেডারেশন নাসার এই সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন জানিয়ে নাসার পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছে। গবেষকদের দাবি, চাঁদের মাটিতে সোডিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম, ক্যালসিয়াম, সালফার, পটাসিয়াম, টাইটানিয়াম, লোহা, নিকেলের মতো ভরপুর খনিজ উপাদান রয়েছে। শুধু তাই নয়, সোনা, প্ল্যাটিনামের মতো দামি খনিজ পদার্থের উপস্থিতির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাই, নাসার এই উদ্যোগের মাধ্যমে চাঁদ থেকে প্রচুর পরিমাণে খনিজ পদার্থ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে পৃথিবীর।