শুধু কি আপনাকেই মশা একটু বেশি কামড়ায়, পিছনে রয়েছে গভীর কারণ, শুনুন বিশেষজ্ঞরা কি বলছেন

সবথেকে বেশি হয়তো মশার উপদ্রব ভারতবর্ষে এছাড়া অন্যান্য কোন জায়গায় মশা তত দেখা যায়না। এছাড়াও রয়েছে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়ার মতো মারাত্মক মশাবাহিত রোগ যার কারণে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটে। এছাড়াও যে সমস্যাটি সবথেকে বেশি দেখা যায়, অনেকের মুখেই শোনা যায় তাদেরকে মশারা নাকি বেশি কামরায়। তবে এর পেছনে যে বিশেষ কয়েকটি কারণ রয়েছে তা অনেকের কাছেই অজানা। তাহলে জেনে নেওয়া যাক বিশেষ কারণ গুলি কি কি

যারা নিঃশ্বাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইড বেশি নিঃসরণ করে তাদের সব থেকে বেশি মশা কামড়ায়। কারন মশাদের কার্বন ডাই অক্সাইড খুবই প্রিয়। যারা বয়স্ক বা মোটা তাদেরকে মশা সবথেকে বেশি কামড়ায়। যারা গর্ভাবস্থায় রয়েছে মশারা তাদের বেশি আক্রমন করে। কারণ গর্ভাবস্থায় থাকাকালীন কার্বন-ডাই-অক্সাইড দেহ থেকে বেশি নিঃসারিত হয়, এরফলে মশারা তাদেরকেই বেশি আক্রমণ করে।

এছাড়াও যাদের ব্লাড গ্রুপ ও তাদেরকেও বেশি মশা কামড়ায়। এখানে অবশ্য পজেটিভ আর নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের কথা বলা হচ্ছেনা,ও গ্রুপের যেকোন মানুষকে মশা বেশি আক্রমণ করে। অন্যদিকে যারা অ্যালকোহল পান করে তাদেরকেও বেশি মশা কামড়ায়। গবেষনায় দেখা গিয়েছে ,যারা 12 আউন্সের একবোতল বিয়ার খায় তাদেরকে মশার আক্রমনের হাত থেকে কেউ বাঁচাতে পারবেনা। শুনে হাস্যকর মনে হলো এই তথ্যটি সত্য গবেষকদের দ্ধারা।

এছাড়া যাদের দেহে ঘাম বেশি হয় তাদেরকে মশা বেশি কামড়ায়। ঘাম মধ্যে থাকে ল্যাকটিক অ্যাসিড যা মশাদের আকৃষ্ট করে কাছে আসার জন্য। একথা অবশ্য সবাই জানে যে, কালো রংয়ের জামা কাপড় বেশি পড়লেও, তাদের মশা বেশি আক্রমণ করে। নীল, লাল রংয়ের জামা বেশি ব্যবহার করলেও মশার উৎপাত বেশি দেখা যায়। যতটা সম্ভব এই রঙের জামা কাপড়গুলো কম ব্যবহার করাই সবথেকে ভালো উপায় মশার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য।