প্রায় ভেঙে যাওয়া বাড়ি মেরামত করতে গিয়ে পেলো গুপ্তধন, রাতারাতি কোটিপতি এই ব্যক্তি

একেই হয়তো বলে ভাগ্য, একজন আইনজীবি নিজের কাজের জন্য একটি ভগ্নপ্রায় বাড়ির খোঁজ করছিলেন। কিন্তু কে জানত এই ভগ্নপ্রায় বাড়ি তাকে রাতারাতি কোটিপতি করে তুলবে। স্বাভাবিকভাবেই ভগ্নপ্রায় বাড়ি ধুলো ঝুলে ভরে একাকার। অনেক টাকা খরচ করতে হবে জেনেও সে রাজি হয়েছিল। কিন্তু টাকা ব্যয় করার পরিবর্তে উল্টে টাকা আয় হলো সেই বাড়ি থেকে। বাড়ির মেরামত করতে গিয়ে মিলল লক্ষ ডলার, পুরনো জিনিস হাতে পেয়ে নিলামে তুলল সেই ব্যক্তি যার পরিমাণ ১ লক্ষ ডলার।পরে জানা যায় সেই বাড়িটি ছিল আসলে চিত্রকর জেমস ইলারি হ্যালের।

জানা যায় ১৯০০ সালে এই বাড়ি কিনেছিলেন তিনি। হ্যালের মৃত্যুর পর এইবারই একাধিকবার বিক্রি হয়েছে, অনেকের হাতবদল হয়েছে। কিন্তু তখন মেলেনি কোনো গুপ্তধনের সন্ধান। কিন্তু হুইটকম্বের হাতে আসতেই উদ্ধার হয় সেই গুপ্তধন। ঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে ও মেরামতের কাজ করতে গিয়ে ছাদের সিলিং এ একটি গুপ্ত দরজার সন্ধান পায় সে। সে দরজা খুলে ভেতরে মাথা গুলিয়ে দেখতে পায় একাধিক আঁকা ছবি।

এর পরেই এক বন্ধুকে নিয়ে এসেই গুপ্ত কুঠুরিতে ওঠে সে, আর সেখানেই দেখতে পায় অতি মূল্যবান জিনিসপত্র, যা এতদিন মানুষের চোখের আড়ালে বসবাস করছিল। এটি ছিল শিল্পীর ছবিঘর।বর্তমান সময়ে এই ছবিগুলি এর বাজার মূল্য যে কেমন তার কোনো ধারনাই ছিল না আইনজীবীর। পরে ঐতিহাসিক সভাপতি ড্যান উনস্টেকের সাথে যোগাযোগ করে মেলে ছবি সম্পর্কীয় তথ্য। পরে যখন জানতে পারে গুপ্তধন হাতে পেয়েছেন তিনি, স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন। তারপরেই একটি নিলাম সংস্হার সাথে যোগাযোগ করেন তিনি। কিছু ছবি নিজের সংগ্রহে রেখে বাকিগুলো এক লক্ষ ডলারে বিক্রি করে দেয়।