এই সব উ’প’স’র্গ থা’ক’লে হে’লা’ফে’লা ক’র’বে’ন না আপনি, হতেই পারে আপনি ক’রো’না প’জি’টি’ভ হয়ে আছেন!

দেশের করোনার দ্বিতীয় স্ট্রেইনের প্রাদুর্ভাব বেড়েই চলেছে। আরো বেশি সংক্রামক এবং মারাত্মক হয়ে উঠেছে করোনা ভাইরাস। যার ফলে সাধারণের আরো বেশি সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। করোনার উপসর্গ প্রাথমিকভাবে অন্যান্য সাধারণ জ্বরের উপসর্গের তুলনায় আলাদা কিছু নয়। তবে সাধারণ জ্বর ভেবে করোনাকে উপেক্ষা করলে হতে পারে সমূহ বিপদ। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন করোনা আক্রান্তদের প্রথম ১৪ দিন অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হবে।

এই ১৪ দিনে করোনার উপসর্গ কেমন হতে পারে জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তারা জানাচ্ছেন করনা আক্রান্ত হওয়ার প্রথম দিনে‌ আক্রান্তদের মধ্য থেকে প্রায় ৪৪ শতাংশ মানুষের জ্বর এবং ক্লান্তি অনুভব হয়। অনেকের শরীরে পেশিতে ব্যথা, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, কাশির উপসর্গ দেখা যায়।

এরপর দ্বিতীয় থেকে চতুর্থ দিনে জ্বরের পাশাপাশি কাশির উপসর্গ দেখা দেয়। করোনার মারাত্মক উপসর্গ হলো শ্বাসকষ্ট। আক্রান্ত হওয়ার পঞ্চম দিনে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। বয়স্কদের পাশাপাশি অল্পবয়সীদের মধ্যেও এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে। ষষ্ঠ দিনের জ্বর এবং কাশির উপসর্গের পাশাপাশি অনেকে বুকে ব্যথা অনুভব করছেন।

সপ্তম দিনে তীব্র বুকে ব্যাথা, শ্বাস নিতে সমস্যা, ঠোঁট এবং মুখ নীল হয়ে যাওয়া এই ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়। সাধারণত এই দিনেই আক্রান্তদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। তবে অনেকে আবার এই দিন থেকেই সুস্থ হতে শুরু করেন। অষ্টম থেকে নবম দিনে ফুসফুসে জল জমে যার ফলে অক্সিজেনের অভাবে তীব্র শ্বাসকষ্ট অনুভূত হয়। রক্তে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়।

দশম থেকে একাদশতম দিনে তীব্র শ্বাসকষ্ট হওয়ার দরুন রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। তবে এই সময় অনেকেই আবার সুস্থ হতে থাকেন যার ফলে তাদের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। দ্বাদশ দিনে জ্বরের উপসর্গ কমে যায়। তবে কারো কারো শরীরে কাশির উপসর্গ থেকে যায়। ১৩ থেকে ১৪ তম দিনে অবশ্য রোগীর শরীরে জ্বরের লক্ষন আর থাকেনা। ১৫ তম দিনে অনেকেই সুস্থ হয়ে যান। তবে অনেকের অবস্থা গুরুতর হয়ে যায় যা পরবর্তীতে চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।