দেবের হিরোগিরি, অভাবের কারণে নেই পড়াশোনা করার টাকা, ২ আদিবাসী কন্যার পাশে দাঁড়ালেন অভিনেতা

এই লকডাউনে অনেক অভাবী প্রয়োজনীয় মানুষের পাশে দাড়িয়েছে অভিনেতা সাংসদ দেব। আর এই কারণেই সবাই তাকে বাহবা জানাচ্ছে।কিছুদিন আগেই নিজের অফিসকে করোনা রোগীদের জন্য চিকিৎসা কেন্দ্র বানিয়েছিলেন দেব। এবার ফের আরেক নজির গড়লেন তিনি, দুই আদিবাসী কন্যা, যারা কিনা টাকার অভাবে পড়াশোনা করতে চাইলেও পড়াশীনা করতে পারে না। এবার দেব তাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন।আসলে মা বাবা দুজনেই কাজ করে, একেবারে অভাবের শংসা। কিন্তু তাদের স্বপ্ন আকাশ ছোয়ার স্বপ্ন। তারা বড় হয়ে পড়াশোনা করে হতে চায় ডব্লু বিসি এস অফিসার, এই দুইবোন দেবের নিজস্ব জায়গা ঘাটালের পান্না গ্রামের বাসিন্দা। তারা এতোকষ্টের মধ্যেও কিন্তু পড়াশোনা ছাড়ে নি, এই কষ্টের মধ্যেই তারা কলেজে ভর্তি হয়েছে। কিন্তু তারা সামনের দিন গুলোতে পরবে কিভাবে সেই উত্ত তাদের কাছে ছিল না।

এখন এমনিতেই লকডাউন, কোনোভাবেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা যাচ্ছে না, তাই আসলে সবাই বাড়িতে বসেই অনলাইনে ক্লাস করছে। কিন্তু তাদের তো আর সেই মোবাইল বা ল্যাপটপ নেই, যেটা দিয়ে তারা ক্লাস করবে অনলাইনে। অনেকটাই অসুবিধার মধ্যে পরতে হয়েছিল তাদের।কিন্তু এই খবর যখন অভিনেতা সাংসদ দেবের কানে পৌছায় তখন কিন্তু তিনি আর চুপ করে থাকতে পারে নি। সাথে সাথেই তাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় দেব। দুই বোন রিনা ও বিনা, তারা যাতে আগামী দিনে মোবাইল ল্যাপটপের কারণে পড়াশোনা বন্ধ না করে, সেই জন্য দেব তাদের আর্থিক সাহায্য করে। এখানেই শেষ না, দেব তাদের ল্যাপ্টপ কেনার সাথে সাথে ৩৫ হাজার টাকা দেন, আগামী দিনে পড়াশোনা করার জন্য।

স্বাভাবিক ভাবেই এই ল্যাপটপ পেয়ে অনেকটাই উচ্ছ্বসিত দুই বোন। এর আগে মহকুমা শাসকও তাদের ২৫ হাজার টাকা সাহায্য করেছে, নিজের পারিশ্রমিক থেকে দিয়ে।এদিকে অভিনেতা সাংসদ দেবের কথা বলতে গেলে অনেক কথাই বলতে হয়, তিনি এই লকডাউনে অনেক দুস্থ মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন। তিনি তার এলাকা ঘাটালের মানুষদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে অনেকটাই। তিনি বিভিন্ন জায়গায় শুকনো খাবার, রান্না করা খাবার বিলি করেছেন। এখানেই শেষ না, তিনি গরীব ছেলে মেয়েদের পাশে দাড়িয়েছেন, যারা সত্যি মেধাবী কিন্তু শুধুমাত্র অর্থের অভাবে পড়াশোনা করতে পারছে না, তাদের আর্থিক সাহায্য করেছে দেব, যা সত্যি প্রশংসনীয়।।