বিশ্বের এমন ১০ ব্যক্তি, যারা বুড়ো হতে অস্বীকার করে দিয়েছেন

পরিবেশের নিয়ম অনুযায়ী আমাদের সকলকে একসময় বার্ধক্যে শিকার হতে হয়। একটা বয়সের পর আমাদের শরীর আর আগের মতো কাজ করে না। নানা অসুখ এর শিকার হতে হয় আমাদের, কিন্তু এমন কয়েকজন ব্যক্তি রয়েছেন, যারা নিজেকে কখনো বার্ধক্যে শিকার হতে দেননি। তারা নিজেকে এতটাই ধরে রেখেছেন, যে তাদের দেখলে বোঝার উপায় নেই যে তাদের বয়স কত। আসুন জেনে নিন এমন কয়েকজন মানুষের কথা, যারা তাদের জীবনটা আবার শূন্য থেকে শুরু করতে পেরেছেন। এমন কয়েকজন ব্যক্তি এই পৃথিবীতে হয়েছেন যারা প্রথম থেকে ফিটনেস কে প্রফেশন হিসেবে কোনদিন গ্রহণ করেননি। কিন্তু বয়সের ঊর্ধ্বে গিয়ে তারা নিজের জীবনটাকে আবার নতুন করে ভাবতে শিখেছে।

তাদের মধ্যে প্রথম হল, টেনিসলো গোআসলি।তিনি তার জীবনের সাত বছর বয়সে গিয়ে ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার কথা ভেবেছিলেন। তিনি প্রায় ৮০ বছর বয়সে একের পর এক চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা শুরু করেন। এরপর ১০৫ বছর বয়সে তিনি একের পর এক রেকর্ড বানাতে শুরু করেন। বেশি রাত করে না খাওয়া এবং একমাত্র দৌড় তার জীবনের ফিটনেস এর অন্যতম চাবিকাঠি।

দ্বিতীয় ব্যক্তি হলেন, রবাট মার্চেন্ট, ইনি ৮০ বছর বয়সে সাইক্লিং করা শুরু করেন। তিনি তার জীবনে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ঘটার সময় আর্মিতে ছিলেন, এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জেলে ছিলেন।কিন্তু অবসর নেবার পর তিনি নিজেকে বাড়িতে আবদ্ধ করে রাখা পছন্দ করে নি। তিনি সাইকেলিং শুরু করে তার জীবনের নতুন অধ্যায় লিখে ফেলেছেন। একের পর এক রেকর্ড গড়তে শুরু করেছিলেন সাইকেলিং দিয়ে।

তৃতীয় ব্যক্তি হলেন আমাদের সকলের প্রিয় অভিনেতা অনিল কাপুর।তিনি এমন একজন অভিনেতা যাকে এখনো ততোটাই যুবক বলে মনে হয় যে তার জামাইকে তার পাশে বয়স্ক মনে হবে। এই বয়সেও তিনি যে কোন সিনেমায় নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন। তিনি প্রত্যেকদিন এক ঘণ্টা করে সাইকেলিং করেন এবং নিজেকে সম্পূর্ণ পরিমাণে ফিট রাখেন।

তৃতীয় ব্যক্তি হলেন বিখ্যাত অভিনেত্রী নন্দনা সেন। তিনি পঞ্চাশোর্ধ বয়সে এখনো এতটাই যুবতী দেখতে লাগেন যে, কোন ব্যক্তি তার বয়স আন্দাজ করতে পারবে না। তিনি প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে জল এবং আট ঘণ্টা ঘুম পছন্দ করেন।

চতুর্থ ব্যক্তি হলেন শ্যারলি ওয়েব,তিনি এমন একজন ভদ্রমহিলা ছিলেন যিনি সিঁড়ি দিয়ে উঠতে পারতেন না। ডাক্তার দেখানোর পর কেনার হাই ব্লাড প্রেসার এবং কোলেস্টরেল ধরা পড়ে। স্বাভাবিকভাবেই অনেক ওষুধ খেতে বলা হয় তাকে। কিন্তু ওষুধ না খেয়ে তিনি ৭৮ বছর বয়সে শুরু করেন ওয়েট লিফটিং। এরপর তিনি সেটিকে প্রফেশন হিসেবে বেছে নেন।

পঞ্চম ব্যক্তি হলেন সিঙ্গাপুরের একজন বিখ্যাত মডেল চিয়ান্ড ত্যান। তিনি ২১ বছর বয়সে মডেলিং করা শুরু করেছেন। এখনো পর্যন্ত তিনি এতটাই সুন্দর মডেলিং করেন যে তার আসল বয়স বোঝা দায় হয়ে যায়। এরকম আরো ব্যক্তি আছেন যাদের কথা জানতে হলে আপনাকে দেখতে হবে ভিডিওটি। এই ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখলেআপনি আরও এমন অনেক মানুষের কথা জানতে পারবেন যারা শেষ বয়সে তাদের জীবন নতুন করে শুরু করতে সক্ষম হয়েছিলেন।