হিন্দু মন্দির ভাঙার সময় কেনো চুপ ছিলো পাক প্রশাসন? রাষ্ট্রসংঘের সভায় ইমরান সরকারের তুলধোনা করলো ভারত

আন্তর্জাতিক মহলে আবারও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সরব ভারত। সম্প্রতি খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কারাক জেলার টেরি গ্রামের ১০০ বছরের পুরাতন একটি হিন্দু মন্দিরের উপর তান্ডব লীলা চালনা প্রসঙ্গে পাকিস্তানি মৌলবাদী মনোভাবের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মহল রীতিমতো উত্তাল হয়ে ওঠে। বিশেষত ভারত এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে প্রবল সমালোচনা করে।

খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলের হিন্দু মন্দির ধ্বংসের সময় পাকিস্তানের প্রশাসন চুপ কেন ছিল? রাষ্ট্রসঙ্ঘের মঞ্চে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানের প্রতি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলো ভারত। রাষ্ট্রসঙ্ঘের মঞ্চে এ প্রসঙ্গে ইসলামাবাদের প্রবল সমালোচনা করেছে ভারত। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিরুদ্ধে মাঝেমধ্যেই সেই দেশে বসবাসকারী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত হানার অভিযোগ ওঠে।

এমনতরো অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেবিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ধর্মীয় স্থানগুলির নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এবং বিশ্ববাসীর মধ্যে শান্তি ও সহিষ্ণুতার মনোভাব ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে রাষ্ট্রসংঘ। সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার রাষ্ট্র সংঘের তরফ থেকে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই বৈঠকে ভারতীয় প্রতিনিধি বক্তব্য রাখার সময় হিন্দু মন্দির ধ্বংস করার পরিপ্রেক্ষিতে ইসলামাবাদের প্রবল সমালোচনা করেন।

ইসলামাবাদ পাকিস্তানে বসবাসকারী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতন চালাচ্ছে, জঙ্গী কার্যকলাপে মদত দিচ্ছে, ভিন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উপর হামলা চালাচ্ছে, এমনকি ভিন ধর্মাবলম্বীদের খুনও করছে পাকিস্তানি মৌলবাদীরা। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সাম্প্রতিককালে ঘটে যাওয়া আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের একটি শিখ গুরুদ্বারে জঙ্গী হামলার প্রসঙ্গ টেনে এনে ভারতীয় প্রতিনিধির দাবি, এমন হামলার পেছনে ইসলামাবাদের হাত ছিল।