এবার বাংলার ভোটে পাখির চোখ শিবু সোরনের, ঝাড়গ্রামে সভা করবেন ২৮ জানুয়ারি

একুশের লড়াইকে কেন্দ্র করে রাজ্যের সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলি নিজ নিজ লক্ষ্য পূরণের উদ্দেশ্যে কোমর বেঁধে নেমেছে। বাংলা দখলের লড়াইয়ে মূলত হাড্ডাহাড্ডি লড়াই বেঁধেছে বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে। তবে অন্যান্য দলগুলিও কিন্তু একে অপরকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে পিছপা হচ্ছে না। একুশের বিধানসভা ভোট রাজ্যের রাজনীতির পাশাপাশি প্রতিবেশী রাজ্যের রাজনীতিকেও সমান ভাবে প্রভাবিত করছে। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ঝাড়খন্ডও এই রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করতে চলেছে।

সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডের ক্ষমতাসীন দল ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চাও পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম মেদিনীপুর-সহ সাতটি জেলায় প্রার্থী দিতে চলেছে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা। আগামী ২৮শে জানুয়ারি ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার তরফ থেকে বাংলার ঝাড়গ্রামে প্রথম ভোট প্রচার চালানো হবে। ঐদিন ভোট প্রচার মঞ্চে উপস্থিত থাকবেন ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার শীর্ষ নেতা শিবু সোরেন ও তাঁর ছেলে তথা ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন।

ঝাড়খণ্ডের পরিবহণমন্ত্রী চম্পাই সোরেন নিজে এই খবরের সত্যতা স্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা কতজন প্রার্থী দাঁড় করাবে, তা এখনো স্থির করা হয়নি। আগামী ২৮শে জানুয়ারি ঝাড়গ্রামের ভোট প্রচার মঞ্চেই দলের বিস্তারিত পরিকল্পনা তুলে ধরা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। তবে তিনি জানিয়েছেন, শিবু সোরেনর দল পশ্চিমবঙ্গে কতজন প্রার্থী দাঁড় করাবে তা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলেই স্থির করা হবে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার সঙ্গে তৃণমূল সরকারের সম্পর্ক কিন্তু বেশ ভালো। অপরদিকে নিজের রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বাঁধলেও পশ্চিমবঙ্গে কিন্তু কার্যত বিজেপির পাশাপাশি বাম-কংগ্রেস জোটকেও চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা। এই চ্যালেঞ্জের ফলাফল কি দাঁড়ায়, তা জানার জন্য আপাতত ভোটের ফলাফলের অপেক্ষা করতেই হচ্ছে।