শাশুড়ির মূর্তি গড়ে গয়না পরিয়ে মন্দির তৈরি করলেন এগারো জন বৌমা, পূজোও হয় নিয়মিত

স্বাভাবিকভাবে আমরা সোশ্যাল মিডিয়ার মারফত থেকে দেশে বিদেশের আনাচে-কানাচের নানা রকমের ঘটনাগুলি জানতে পারি। কোন কোন ঘটনা আমাদের বেশ অবাক করে দেয় আবার কোনো কোনো ঘটনাও হয় যা আমাদের মনে ব্যথাও দেয়। তবে এইবারে এমন একটি ঘটনা জানা গেল যা দেখার পর সত্যিই অবাক হওয়ার মতই।

শাশুড়িকে কি ভাবে ভালোবাসা যায় তার নিদর্শন দেখালো তার এগারো জন বৌমা। স্বাভাবিকভাবেই সকলেই জানি যে সংসারে শাশুড়ি এবং বৌমার মধ্যে খুব একটা ভাব ভালোবাসা দেখা যায় না। সংসারে এই দুইজন সবসময় বিপরীতমুখী তাই, ঝামেলা লেগেই থাকে। কেউ কাউকে ছাড়তে পিছপা হয় না।

শাশুড়ি বৌমার লড়াই স্বাভাবিকভাবে সমস্ত পরিবারেই দেখা যায়। তবে এইবারে এমন একটি ঘটনা ঘটল যা সত্যিই সহসা ঘটে না। বৌমা এবং শাশুড়ির মধ্যে যে সত্যি ভালোবাসা থাকতে পারে তাও আবার অসীম সেটাই এবার দেখা গেল ছত্রিশগড়ের বিলাসপুরে। ছত্রিশগড় বিলাসপুর একটি পরিবার এবং সেখানে ১১ জন বৌমা তাদের মৃত শাশুড়িকে ভালোবেসে যা করলেন তা সত্যিই অভূতপূর্ব।

১১ জন বৌমা মিলে তার শ্বাশুড়ীর নামে একটি মন্দির তৈরি করলেন এবং সেখানে তার শ্বাশুড়ীর মূর্তি তৈরি করে, মূর্তিতে গয়না দিয়ে সাজিয়ে দিলেন। শুধু এই পর্যন্তই না তারপর আবার প্রত্যেকদিন মন্দিরে তার মৃত শাশুড়িকে পুজো করেন সেই ১১ জন বৌমা।

ছত্রিশগড় বিলাসপুর জেলায় রয়েছে রতনপুর নামে একটা গ্রাম এবং সেখানেই এটি তৈরি করা হয়। তৈরি করা হয় ২০১০ সালে এবং নামকরণ করা হয় গীতাদেবী। ২০১০ সালের শাশুড়ি মারা যায় এবং তার পরেই তার নামেই মন্দির তৈরি করে তার বৌমারা।