আগের স্ত্রীরা ব্যর্থ, চতুর্থবার বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন স্বামী, মেয়ে খোঁজার দায়িত্ব নিলেন তিন স্ত্রী

“সতীন কাঁটা” নিয়ে যাতে ঘর না করতে হয়, সেই জন্য ভারতীয় স্ত্রীলোকদের এককালে অনেক ব্রত-ধর্ম পালন করতে দেখা যেত। নিজ স্বামীকে অন্য স্ত্রীলোকের সঙ্গে ভাগ করে নিতে হবে, এ যেন স্বপ্নেও ভাবতে পারেন না ভারতীয় মহিলারা। তবে ভারতেরই প্রতিবেশী রাষ্ট্র, যা কোনো এক কালে ভারতের অবিচ্ছিন্ন অংশ ছিল, সেই পাকিস্তানের মহিলারা কিন্তু তা মনে করেন না। তাদের কাছে সতীন কোনো “কাঁটা” নয়, বোনের মতোই তারা মিলেমিশে থাকেন।

ভারতে এক পুরুষের বহুবিবাহ বহুদিন আগেই আইনত নিষিদ্ধ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু পাকিস্তানের ক্ষেত্রে তা নয়। পাকিস্তানের একজন পুরুষ একাধিক মহিলার সঙ্গে বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হতে পারেন। তেমনই এক পাকিস্তানি পুরুষ হলেন আদনান, যিনি তিনবার বৈবাহিক সূত্রে আবদ্ধ হওয়ার পর এবার চতুর্থবারের জন্য বিবাহের উপযুক্ত পাত্রী খুঁজছেন। তবে আদনান একা নন, তার অন্য তিন স্ত্রীও স্বামীর জন্য উপযুক্ত পাত্রী খুঁজছেন।

আদনানের বয়স এখন মাত্র ২২ বছর। তবে মাত্র ১৬ বছর বয়সেই নিজের আইবুড়ো নাম ঘুচিয়েছিলেন তিনি। প্রথমবার বিবাহের পর পরেই আরো দুই বার বিবাহের পিঁড়িতে বসেছেন আদনান। এবার চতুর্থবারের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে পাত্রীর নামের আদ্যক্ষর অবশ্যই “শ” দিয়ে শুরু হতে হবে। কারন তার অন্য তিন স্ত্রীর নাম “শ” দিয়েই শুরু হচ্ছে। শুম্বল, শুবানা এবং শাহিদার পর এবার “শ” নামধারীণী চতুর্থ স্ত্রীর সন্ধানে রয়েছেন আদনান।

এর মধ্যে প্রথম পক্ষের স্ত্রীর থেকে তিনটি সন্তান, দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রীর তরফ থেকে দুইটি সন্তানের বাবাও হয়ে গিয়েছেন তিনি। বর্তমানে পাঁচ সন্তান এবং তিন স্ত্রীকে নিয়ে সুখ-শান্তিতে ঘর করছেন তিনি। এই বিশাল পরিবারের ভরণপোষণ কিভাবে চলে সে সম্পর্কে অবশ্য কিছু ভেঙে বলেননি আদনান। তবে তিনি জানিয়েছেন, প্রথম বিবাহের পরেই তার সাংসারিক জীবনে উন্নতি সাধন হয়েছে। ২২ বছর বয়সি আদনান এবার তার চতুর্থ জীবনসঙ্গিনীর খোঁজে রয়েছেন।