আত্মনির্ভর ভারত! বায়ুসেনার হাতে আসছে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ফিফথ জেন ফাইটার জেটের ইঞ্জিন

সীমান্তে একদিকে চীন, একদিকে পাকিস্তান, ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে চলেছে। শত্রুপক্ষের হাত থেকে দেশের সীমানা রক্ষা করার জন্য ভারতে আরও মজবুত সামরিক শক্তি দরকার। এই উদ্দেশ্যে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধের সরঞ্জাম এবং যুদ্ধের অস্ত্র নিজেদের ভান্ডারে মজুত করে চলেছে ভারত। এবার ভারতের সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত‌ ফিফথ জেন ফাইটার জেটের ইঞ্জিন পেতে চলেছে ভারতীয় বায়ুসেনা বিভাগ।

ভারতের ডিফেন্স রিসার্চ ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের তরফ থেকে ইতিমধ্যেই এই প্রজেক্ট নিয়ে কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেল। ডিআরডিওর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ফিফথ জেনারেশন অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্রাফট তৈরি করার কাজ চলছে। রাফায়েল জেট উড়াতে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ইঞ্জিন কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে বলেই মনে করছে ভারতীয় প্রতিরক্ষা দপ্তর।

ডিআরডিও সূত্রে খবর, রাফায়েলসহ অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন তৈরি করা হচ্ছে। অত্যাধুনিক ইঞ্জিনের ওজন হবে প্রায় ১১০ নিউটনের কাছাকাছি। ইঞ্জিন বানানোর খুঁটিনাটি তথ্য সম্পর্কে ফ্রান্সের জেট ইঞ্জিন প্রস্তুতকারক সংস্থা সাফরানের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে ডিআরডিও। হিন্দুস্তান এয়ারোনটিকস লিমিটেডকে ইঞ্জিন বানানোর ব্যাপারে সাহায্য করবে সাফরান। উল্লেখ্য, বুধবারই ডিআরডিওর কর্ণধার ডক্টর সতীশ রেড্ডি জানিয়েছেন, ভারতের প্রভূত শক্তিশালী সুপারসনিক মিসাইল ব্রহ্মসের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ সফল হয়েছে।

ব্রহ্মস মিসাইলের পাল্লাসহ বেশ কিছু ক্ষেত্রে পরিবর্তন এনেছে ডিআরডিও। ব্রহ্মসের নতুন সংস্করণের রেইঞ্জ হলো ৪০০ কিলোমিটার। অর্থাৎ ৪০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত যে কোনো বস্তুতে নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম ব্রহ্মস। পাশাপাশি এই সুপারসনিক মিসাইলের রামজেট ইঞ্জিন ও ফুয়েল ইনজেকশন সিস্টেমেও বেশকিছু রদবদল আনা হয়েছে। সফটওয়্যার পরিবর্তনের ফলে এবার থেকে অত্যধিক তাপমাত্রাতেও সফলভাবে কাজ করতে পারবে ব্রহ্মস। একের পর এক যুদ্ধের সরঞ্জাম তৈরি করে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে আরো বেশি শক্তিশালী এবং মজবুত করে তুলছে ডিআরডিও।