“বিপজ্জনক ও অশান্ত” আখ্যা দিলো কেন্দ্রীয় সরকার, ৬ মাসের জন্য নামলো সশস্ত্র সেনা

সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিতে জঙ্গী কার্যকলাপ ক্রমশ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনকে আরও বেশি কড়া হাতে পরিস্থিতি সামলাতে হবে। তবে মোদি সরকার বিতর্কিত অঞ্চলগুলিতে সন্ত্রাসবাদি কার্যকলাপ রুখতে বদ্ধপরিকর। ২০১৯ সালে সন্ত্রাসবাদি কার্যকলাপের পীঠস্থান জম্বু-কাশ্মীরের উপর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে নিয়ে উপত্যকা অঞ্চলের বিশেষ মর্যাদা খর্ব করে তার প্রমাণ দিয়েছে কেন্দ্র সরকার।

জম্বু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা খর্ব করে সেই অঞ্চলটিকে আইনত ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করে মোদি সরকার। যার ফলে উপত্যকা অঞ্চলে প্রশাসনিক প্রয়োজন অনুসারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার পেয়েছে ভারত সরকার। ভারত সরকার এই মুহূর্তে উপত্যকা অঞ্চলে শান্তি ফেরাতে বদ্ধপরিকর। তবে জম্বু-কাশ্মীর বাদেও ভারতেরই অপর একটি রাজ্যে সন্ত্রাসবাদি কার্যকলাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়ে আবারো নড়েচড়ে বসলো কেন্দ্রীয় প্রশাসন। জঙ্গী কার্যকলাপের পিঠস্থান হয়ে উঠছে নাগাল্যান্ড। দীর্ঘদিন ধরেই ওই রাজ্যে সন্ত্রাসবাদি কার্যকলাপ চলছে। এমতাবস্থায় নাগাল্যান্ড রাজ্যকে “অশান্ত এবং বিপদজনক” ঘোষণা করে দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। নাগাল্যান্ড রাজ্যের জঙ্গী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে আগামী ছয় মাসের জন্য এই রাজ্য কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর অধীনেই থাকবে।

বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফ থেকে একটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়, নাগাল্যান্ড রাজ্যে জঙ্গী কার্যকলাপ ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সশস্ত্র সেনা আইন ১৯৫৮ অনুসারে নাগাল্যান্ড রাজ্যকে “অশান্ত এবং বিপদজনক” ঘোষণা করা হলো। ভারতের সশস্ত্র সেনা আগামী ছয় মাসের জন্য উক্ত রাজ্যের রক্ষণাবেক্ষণ করবে।