বাংলাদেশে আটক চোরাই ইউরেনিয়াম, আণবিক বোমা বানানোর চেষ্টা করেছিলো সন্ত্রাসীরা

জেহাদের কারণে সারাবিশ্ব আজ ক্ষতবিক্ষত, যার থেকে রেহাই পায়নি বাংলাদেশ-ভারতের মতন দেশগুলো। ভারতীয় উপমহাদেশে দিনের-পর-দিন এখন জেহাদের প্রভাব বেড়ে চলেছে যা সূত্রের মাধ্যমে জানা যাচ্ছে। কিন্তু তার প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশে বর্তমানে তার শিকার। সম্প্রতি ঢাকার রামপুরা এলাকার একটি বাড়ি থেকে আনুমানিক পঞ্চান্ন কোটি টাকার ইউরেনিয়াম উদ্ধার করা হয়েছে।

আর এই ইউরেনিয়াম উদ্ধার করেছে বাংলাদেশের এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান। ইতিমধ্যেই গোয়েন্দা পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই ইউরেনিয়াম বেচাকেনার মূল চক্রের সন্ধান চলছে তবে এর সাথে যুক্ত ১১ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে, সাথে তাদের কাছ থেকেই ২ পাউন্ড ওজনের ইউরেনিয়াম উদ্ধার করা হয়েছে। গোয়েন্দা পুলিশের তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে, যে কয়েক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তারা এই সমস্ত পদার্থকে ইউরেনিয়াম বলেই অভিহিত করেছে যেটা পুলিশেরও অনুমান। তারা বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এই সব বিক্রি করতো। তবে এর আগে কেকে কেনাবেচা করেছে এই ইউরেনিয়াম সে সম্পর্কে এখনও জানা যায়নি।

এখানেই শেষ নয় বাংলাদেশের এলিট ফোর্সের তরফ থেকে যে বিজ্ঞপ্তি পেশ করা হয়েছে সেখানে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তিনজন ইউরেনিয়াম ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের কাছ থেকে জানা গেছে তারা বিভিন্ন উৎস থেকে অবৈধভাবে এই ইউরেনিয়াম ক্রয় করত। তবে এর আসল উৎস এখনো জানা যায়নি সেই কারণেই চলছে তদন্ত। এলিট ফোর্স এরা যে কয়েকটি বাক্স উদ্ধার করেছে সে কয়েকটি চামড়ার বাক্স যার ওপরে লেখা রয়েছে,ইউরেনিয়াম অ্যাটমিক এনার্জি মেটালিক এলিমেন্ট, অ্যাটমিক ওয়েট ২২২.০৭ (এ) ২ এলবি ল্যাবপ্রস।

এটা নতুন নয়, এর আগেও বাংলাদেশের নওগাও থেকে ইউরেনিয়াম উদ্ধার করা হয়েছে। তারপরেই পুলিশ সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে এই চক্রের সাথে যোগ রয়েছে আল-কায়দা সহ আরো বড় বড় জঙ্গি সংগঠন। তাদের মূল লক্ষ্য বড় বোমা তৈরি করা না হলেও ছোট ছোট আণবিক বোমা তৈরি করার পরিকল্পনা ছিল যাদের বলা হয় ডার্টি বম্ব।