ভো’গা’ন্তি, ম’ঙ্গ’ল’বা’র শিয়ালদহ ডি’ভি’শ’নে বা’তি’ল ৫৬ টি লো’কা’ল ট্রেন

ইতিমধ্যেই আস্তে আস্তে রেল কর্মচারীদের করণা আক্রান্ত হওয়ার খবর শোনা যাচ্ছে এদিক ওদিক। করণা আক্রান্তের ফলে আস্তে আস্তে সমস্ত রেল বাতিল করে দেওয়া অথবা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এই ভাবেই হয়তো আরো একবার লকডাউন এর দিকে এগোবে ভারত বর্ষ। সপ্তাহের দ্বিতীয় কাজের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার শিয়ালদা ডিভিশনের প্রায় ৫৬ টি লোকাল ট্রেন বাতিল করে দেওয়া হল। পূর্ব রেল সূত্র থেকে জানা গেছে যে, ইতিমধ্যেই 90 জন কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের শূন্যস্থান পূরণ করার মতো সেই রকম লোক নেই রেল কর্তৃপক্ষের হাতে। তাই ট্রেন বাতিল করার দিকেই হাঁটতে হচ্ছে সকলকে। তবে এখনো পূর্ব রেলের তরফ থেকে কোন ট্রেন বাতিল করা হয়নি।

পূর্ব রেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, মঙ্গলবার শিয়ালদা ডিভিশনের যে ট্রেনগুলো বাতিল থাকবে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যারাকপুর লোকাল, ডানকুনি লোকাল, নৈহাটি লোকাল, গোবরডাঙ্গা লোকাল, দত্তপুকুর লোকাল, সোনারপুর লোকাল। স্বল্প দূরত্বের মধ্যে ট্রেন বাতিল করে আপাতত পরিস্থিতি সামাল দেবার চেষ্টা চালাচ্ছে রেল।

তবে যাত্রীদের দাবি অনুযায়ী, সকালে ব্যস্ততার মধ্যে তারা ট্রেন পাচ্ছেন না। সকালের দিকে ও বেশকিছু ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। ট্রেন বাতিল এর জন্য দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। অনেকে আবার ট্রেনে উঠতে পারছেন না ভিড়ের জন্য।

রেলের আধিকারিকরা এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, যত দেরি হবে লকডাউন করতে ততই আরও বেশি রেল কর্মীদের মধ্যে সংক্রমণ ছাড়াবে। ব্যাপারটা কতখানি ভয়ানক হতে পারে তারা এখন থেকে বোঝা যাচ্ছে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হলে দ্রুত রেল কর্মীদের টিকাকরণের ব্যবস্থা নিতে হবে।

এই বিষয়ে পূর্ব রেল আধিকারিক রা জানিয়েছেন, শিয়ালদা এবং হাওড়া ডিভিশনের একাধিক গার্ড, মোটর ম্যান সিগন্যাল টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের কর্মীরা পরপর আক্রান্ত হয়েছেন এই মহামারিতে। রেল পরিষেবা আগের মত চালু রাখার জন্য বেশ সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের। সচেতনতা যদি আরো বাড়ানো না যায় তাহলে রেল কতৃপক্ষকে সমূহ বিপদের সম্মুখীন হতে হবে।