সুপারসনিক ব্রহ্মস-এর সফল উৎক্ষেপণ, নিমেষেই গুড়িয়ে দেবে ৪০০ কিমি দূরের লক্ষ্যবস্তুকে

সামরিক শক্তি বাড়িয়েই চলেছে ভারত। বুধবার, ভারতের সুপারসনিক ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ করা হলো। ভারত এবং রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি হয় ব্রহ্মস মিসাইল। ভারতের “ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন” এর অধীনস্থ ভারতীয় প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত গবেষণা সংস্থা তরফ থেকে বুধবার ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ করা হলো। ভারতীয় প্রতিরক্ষা দপ্তর সূত্রে খবর, এই ক্ষেপণাস্ত্রটি চারশো কিলোমিটার দূরে অবস্থিত যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল ভাবে আঘাত হানতে সক্ষম।

উল্লেখ্য, ভারত রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে নির্মিত ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের চেয়েও দ্রুতগতিতে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। ২০০৫ সালে ভারতীয় নৌবাহিনীর হাতে এসে পৌঁছয় শব্দের থেকেও অধিক গতিশীল এই সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রটি। এর আগেও ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের একটি সংস্করণের সফল উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। নতুন সংস্করণে ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রটিকে আরও বেশি শক্তিশালী করে তুলতে সমর্থ হয়েছে ডিফেন্স রিসার্চ এন্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন বার ডিআরডিও।

ভারতীয় প্রতিরক্ষা দপ্তর সূত্রের খবর, আগে সুপারসনিক ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের রেইঞ্জ বা পাল্লা ছিল ২৯০ কিলোমিটার। অর্থাৎ ২৯০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারতো ব্রহ্মস। নতুন সংস্করণে ক্ষেপণাস্ত্রটির পাল্লা আরো বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ৪০০ করতে সমর্থ হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ফলে আরও বেশি শক্তিশালী এবং মারাত্মক হয়ে উঠলো ভারতের ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র।

ডিআরডিও চেয়ারম্যান ডক্টর জি সতীশ রেড্ডি সংবাদমাধ্যমের কাছে ব্রহ্মসের উৎক্ষেপণ সফল হওয়ার খবর প্রকাশ করেছেন‌। ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণে বেশ খুশি ডিআরডিও এর কর্ণধার। ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের নতুন সংস্করণ নিয়ে বেশ আশাবাদী তিনি। সংবাদমাধ্যমের কাছে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন, ব্রহ্মসের এই সফল উৎক্ষেপণ দেশীয় পদ্ধতিতে আরো বেশি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে উৎসাহ প্রদান করছে।