দুর্গাপুজা বলে কথা, ক’রোনার আবহে অনলাইনে বুক করলেই বাড়ি পৌঁছে যাবে মায়ের ভোগ

মাঝে আর মাত্র কয়েকটা দিনের অপেক্ষা। তারপরেই বাঙালি মেতে উঠবে তাদের সব থেকে বড় পার্বণ দুর্গাপূজা নিয়ে। তবে, করোনা পরিস্থিতির দরুন অন্যান্যবারের মতো এবার আর অতটা জাঁকজমক করতে ভরসা পাচ্ছেন না পুজো উদ্যোক্তারা। তাই পূজামণ্ডপে অনেক ক্ষেত্রেই কাটছাঁট চলছে। কিন্তু বাঙালির আবেগ জড়িয়ে রয়েছে পূজোর প্রসাদের সাথে। তাই “ভোগ বিতরণ” অনুষ্ঠানে কিন্তু কার্পণ্য করছে না কলকাতা। পুজোর সময় কলকাতার প্রায় সাতশো থেকে আটশো পরিবারের পুজোর প্রসাদ পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন এক কলকাতাবাসী, নাম দেব দত্ত। তিনি পেশায় একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পর এমবিএ করে কিছুদিন একটি বড় সফটওয়্যার কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন দেববাবু।

এরপর চাকরি ছেড়ে ছয় বছর আগে ব্যবসা শুরু করেন। এতদিন রেস্তোরাঁ ও রিটেল ব্যবসার ‘সফটওয়্যার সলিউশন’ বানিয়েছেন তিনি। এবার নিয়ে এলেন একটি বিশেষ অ্যাপ।দেব দত্ত এমন একটি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন বানিয়েছেন, যে অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে ঘরে বসেই নিকটবর্তী পূজামণ্ডপের ভোগের প্রসাদ পেয়ে যাবেন আবেদনকারী। এর জন্য পুজোর ঠিক দু’দিন আগে থেকে বুকিং সিস্টেম চালু হয়ে যাবে। যিনি যত আগে বুক করবেন, তিনি তত তাড়াতাড়ি ভোগের প্রসাদ পেয়ে যাবেন। দেববাবু জানিয়েছেন, প্রায় দুই হাজার মানুষের কাছে ভোগের প্রসাদ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তিনি।

করোনাকালে বাড়ি বাড়ি খাবার পৌঁছে দিতে ইতিমধ্যেই কলকাতার প্রায় দু’শটি রেস্তোরাঁ এবং ফুড জয়েন্টের সাথেও চুক্তি করেছেন তিনি। এবার পুজোর প্রসাদও হোম ডেলিভারির মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌছে দিতে চান তিনি। দক্ষিণ কলকাতার ত্রিধারা সম্মিলনী থেকে শুরু করে উত্তর কলকাতার টালা বারোয়ারি এমনকি দক্ষিণ শহরতলীর নাকতলা সার্বজনীন থেকে শুরু করে উত্তরের হাতিবাগান সর্বজনিন পুজা কমিটির গত ১৫টি পুজো কমিটির সাথে চুক্তি করেছেন তিনি। মাত্র ২১ টাকার বিনিময়ে এবার বাড়িতে বসেই মায়ের আশীর্বাদ পাবেন কলকাতাবাসী।

সব খবর সরাসরি পড়তে আমাদের WhatsApp  Telegram  Facebook Group যুক্ত হতে ক্লিক করুন