ফের জঙ্গি হামলা, সিআরপিএফের গাড়িতে গুলি, মৃত এক নাগরিক সহ শহিদ জওয়ান

ফের জঙ্গী হামলা উপত্যকায়, এবার ঘটনাটি বারমুল্লা জেলার সোপারে। সেখানে আজ সকালেই হামলা হয় জঙ্গী গোষ্ঠীর। সেন্টারল রিসার্ভ পুলিশের পেট্রোলিং পার্টির ওপরে জঙ্গীরা হামলা চালায়, আর তাতেই গাড়িতে থাকা এক জওয়ান শহীদ হয় ও ১ জন সাধারণ নাগরিক মারা যায়। সাথে আরও কিছু সেনা আহতও হয়। আর তারপরেই তাদের নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। কিন্তু তার পরেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয় সেনা বাহিঈ দিয়ে, চালানো হয় চিরুণি তল্লাশী। জম্মু কাশ্মীরের ডিজি দিলবাগ সিং জানায় এখন সেই সব জায়গায় নিরাপত্তা আরও বৃদ্ধি করে দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতালে সবাইকেই নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু সেখানেই একজন জওয়ান শহীদ হয় ও সাথে আরেক সাধারণ নাগরিক, কিন্তু তার সাথে আরও ৩ জনের মতো আহতও হয়, যার মধ্যে ২ জনের অবস্থা গুরুতর। সকাল সকাল সেনারা গাড়ি নিয়ে যাচ্ছিল, সেটার ওপরে লক্ষ্য করেই বোমা ছোড়ে জঙ্গীরা, আর তার ফলেই এই কান্ড হয়।

গত কয়েকমাস থেকে দেখা যাচ্ছে জঙ্গী হানা বেড়েই যাচ্ছে, এর জবাব ভারতীয় সেনা বার বার দিয়ে আসছে, আগামীতেও যে দেবে সেটা স্পষ্ট। এনকাউন্টারে অনেক জঙ্গীদের ক্ষতম করা হয়েছে। পুলোয়ামা এলাকায়, ও আরও বিভিন্ন এলাকায় জঙ্গী হামলার জবাব দিয়েছে সেনারা, কিন্তু প্রশ্ন হল, এনকাউন্টারের পরেও এমন কেনো, জঙ্গীরা ঘাটি তৈরী করছে, এখন সেখানে তাহলে পুলিশের ভূমিকা কি?

পুলোয়ামার ত্রালে নাকি জঙ্গীরা ঘাটি গেড়ে বসে আছে, সেটার খোজ পেয়েই সেনারা তল্লাশী চালানো শুরু করে। কিভাবে তারা সেখানে ঘাটি গাড়ল, এতো নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও। তাহলে কি পুলিশের কাজের গাফিলতির জন্য এমনটা হচ্ছে, এটা নিয়েই উঠছে এখন প্রশ্ন। তবে সেখানে তল্লাশী চালানোর সময় জঙ্গীদের তরফ থেকে চালানো হয় গুলি, আর তার ফলেই দুই দলের মধ্যে শুরু হয় গুলির লড়াই। আর সেখানেই এনকাউন্টারে ক্ষতম করা হয় জঙ্গীকে। আর সেখানেই সি আর পি এফ সহ জম্মু কাশ্মীর পুলিশ ও ৪২ টি রাষ্ট্রীয় রাইফেলস সবাই তল্লাশী চালায়, ও সফল হয়।