রেড জোনকেও তিনটি ভাগে ভাগ করা হবে বাংলায়, মিলবে জোন ভিত্তিক ছাড়, ঘোষণা মমতার

আজ ৪৯তম দিনে পড়েছে লকডাউন। এই পরিস্থিতিতে মানুষের জীবনযাত্রা চালানো একপ্রকার কষ্টকর হয়ে উঠেছে তা নিয়ে আর নতুন করে কিছুই বলার নেই। তবে ইতি মধ্যে রাজ্য সরকার রাজ্যে করোনার হটস্পট, হিসেবে চিহ্নিত করে বেশ কয়েকটি জায়গাকে কনটেনমেন্ট জোন করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তিনটি জোনে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। রেড, গ্রীণ ও অরেঞ্জ জোন। তবে এবার পাকাপাকি ভাবে বন্দিদশার মধ্যেই তিনটি রেড জোন হিসেবে ভাগ করে দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমনটাই জানিয়েছেন। তবে জোন ওয়াইস মিলবে ছাড়। বিশেষ কিছু কিছু ক্ষেত্রে ছাড় পাওয়া যাবে। তাই জেনে নেওয়া যাক জোন বিশেষে সকলে কি কি ভাবে ছাড় পাবেন-

১. রেড জোন এ: এখানে কোনো ছাড় পাওয়া যাবে না। অর্থাত্ আগের মতোই রেড জোনে যারা থাকবে, তাঁদের কোনো ক্ষেত্রে ছাড় পাওয়া যাবে না।

২. রেড জোন বি: যদি সামাজিক দূরত্ব মানা হয় সেক্ষেত্রে কিছু ছাড় পাওয়া যাবে।

৩. রেড জোন সি: কনটেনমেন্টের জোনের বাইরে হলেই সব বিষয়ে ছাড় দেওয়া হবে।

কিন্তু এই তিনটি জোনের মানুষ কোথায় কিভাবে কি সুবিধা পাবে তা বলবে পুলিশ। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সোনার দোকান, খাবারের দোকান, ইলেকট্রনিক্স দোকান খুলতে পারে৷ তবে খোলা রাখতে হবে বেলা ১২ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা অবধি। একইসঙ্গে সুবিধা দেওয়া হবে বাইরে থেকে যাঁরা এসেছেন, তাঁদের রাজ্যেই কাজ দেওয়া হবে। সেই নির্দেশ জেলাশাসকদের দেওয়া হয়েছে। সরকার চায় ১০০ দিনের কাজ, সোনার কাজ, ক্ষুদ্রশিল্পে নতুন লোক আসুক৷

পাশাপাশি এদিন নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পরিকল্পনা না করে লকডাউন ঘোষণা করায় সমস্যা বেড়েছে।স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া, রেশন বণ্টন-সহ একাধিক ক্ষেত্রে রাজ্যের খরচ বিপুল বেড়েছে। পুরো স্বাভাবিক পরিস্থিতি হয় তো এখনই হবে না। কিন্তু ধীরে ধীরে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়াতে হবে।’

সব খবর সরাসরি পড়তে আমাদের WhatsApp  Telegram  Facebook Group যুক্ত হতে ক্লিক করুন