প্রতিদিন খাবারের পাতে রাখুন অল্প একটু ঘি, ৫ টি রোগ থেকে পাবেন মুক্তি, জেনে নিন

চরম ব্যস্ততম এই জীবনে ক্ষিধের মুখে এক থালা গরম ভাত, ঘি এবং আলু সেদ্ধর জুড়ি মেলা ভার। তবে শরীর সম্পর্কে সচেতন হয়ে অনেকেই আবার ঘিয়ের‌ ব্যবহারে এড়িয়ে চলেন। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে ঘিয়ে যাদের এলার্জি নেই তারা নিজেদের খাবার পাতে এক চামচ ঘি রাখতেই পারেন। শরীরের প্রয়োজনেই ঘি অত্যন্ত জরুরী, এমনটাই জানাচ্ছেন আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা। ঘি শুধু খাবারের স্বাদ বাড়ায় এমনটা নয়, এর মধ্যে অনেক স্বাস্থ্য উপযোগী গুণ রয়েছে।

ঘিয়ের প্রধান গুণ হলো এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এর মধ্যে রয়েছে ফ্যাটে দ্রবণীয় ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে। তাই নিয়মিত ঘি সেবনে শরীরে ভিটামিনের চাহিদা পূরণ হয়। এছাড়াও ঘি আবার শরীরে গৃহীত খাদ্য থেকে অন্যান্য চর্বিযুক্ত দ্রবণীয় খনিজ এবং ভিটামিন শোষণ করতে সক্ষম। যার ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। দেশি ঘিয়ের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ফাঙ্গাল প্রপার্টি এবং প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট।

বিভিন্ন ধরনের ভাইরাসের সংক্রামন, ফ্লু, কাশি, সর্দির হাত থেকে রক্ষা করে ঘি। এছাড়াও ঘিয়ের মধ্যে থাকে বাট্রিক অ্যাসিড যা শরীরের অন্ত্র এবং কোলনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। অন্ত্রের প্রাচীরের শক্তি বৃদ্ধি করে ঘি। অন্ত্রের ক্রোনজ ডিজিজেও অত্যন্ত উপযোগী এই খাদ্য উপাদানটি।

ঘি কিন্তু স্মৃতিশক্তিও বৃদ্ধি করে। ত্বক এবং চুল উজ্জ্বল করে, ত্বকের জ্বালা কমায়, পিগমেন্টেশন কমায়, বার্ধক্য প্রতিহত করে, শরীরের বিষাক্ত পদার্থগুলিকে দূর করে। এছাড়াও হার্ট ভালো রাখে, দৃষ্টিশক্তি উজ্জ্বল করে, ক্যান্সার প্রতিহত করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ঘি ওজন বৃদ্ধি করে, এটি কিন্তু একটি ভ্রান্ত ধারণা। ঘিয়ের মধ্যে উপস্থিত ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড কার্যত ওজন কমাতেই সাহায্য করে।