উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পেলেন সাফল্য, ২০ বছরের সাধনায় মিললো “তুলাইমতি” ধান

দীর্ঘ কুড়ি বছরের অপেক্ষা, তারপরেই মিলল সফলতার স্বাদ। লম্বা দানার বাসমতি, সুগন্ধি তুলাইপাঞ্জি ধান ও সাথে প্রচুর ফলিত আই আর -৬৪। এই তিন ধরনের সংকরীকরণ এর ফলে উৎপন্ন ধান তুলাইমতি। বলা যেতে পারে দীর্ঘ কুড়ি বছর সাধনার ফল এই ধান। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞানের অধ্যাপক সুভাষ চন্দ্র রায়,যার এই দীর্ঘ পরিশ্রমের ফল শেষ পর্যন্ত পাওয়া গেল।

এই নিয়ে অধ্যাপক জানিয়েছিলেন, বর্তমানে সুগন্ধী তুলাইপাঞ্জি ধানের চাহিদা একেবারে তুঙ্গে, কিন্তু এর ফলন খুবই কম তাই প্রচুর ফলিত ধান আই আর -৬৪ ও সরু ধান বাসমতিকে মিশিয়ে ল্যাবরেটরীতে নতুন ধান তৈরি করার প্রচেষ্টা করা হয়। যার ফল এই তুলাইমতি।

অধ্যাপক এই নতুন ধান নিয়ে খুবই আশাবাদী। একদিক থেকে সুগন্ধি সরু ও অত্যাধিক ফলন। যা বিশ্ব বাজারে পৌঁছে দেওয়ার জন্য একেবারে উপযুক্ত। তাই শুধু উত্তর দিনাজপুর নয় কোচবিহার মালদা দক্ষিণ দিনাজপুর সব জায়গাতেই এই ধান ফলনের পরিকল্পনা চলছে।