অধিকারী পরিবারে ফের ফুঁটলো পদ্ম, শুক্রবারই বিজেপিতে সৌম্যেন্দু

আসন্ন একুশের লড়াই কার্যত এ রাজ্যে বিজেপি এবং তৃণমূলের লড়াইয়ে পর্যবসিত হয়েছে। বাংলায় পদ্মফুল ফোটাতে মরিয়া প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি। বিজেপির এই প্রচেষ্টা সর্বসম্মতভাবে সফলও হচ্ছে। তৃণমূলের ঘরে ভাঙ্গন ধরিয়ে একের পর এক তৃণমূলীয় নেতা-কর্মী, সাংসদ, বিধায়ক বিজেপির পথে পা বাড়াচ্ছেন। ঘাসফুল ছেড়ে কার্যত পদ্মফুলকেই আপন করছেন।‌

দলবদলের এই রাজনীতির নেতৃস্থানীয় ছিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য সরকারের প্রতি একাধিক অভিযোগ এনে তিনি সম্প্রতি কেন্দ্রীয় শাসক দলে যোগদান করেছেন। তার নেতৃত্বেই তৃণমূল দলের অভ্যন্তর থেকে একাধিক কর্মী সেদিন দলবদলের ইচ্ছা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। এহেন শুভেন্দু অধিকারীর ঘরেও পদ্মফুল ফুটবে না, এমনটা কি হতে পারে!

আগামী শুক্রবার, নববর্ষ! নতুন বছরের এই শুভদিনে কাঁথির ডরমেটরি মাঠে বিজেপি-র কর্মিসভার আয়োজন রেখেছেন শুভেন্দু। রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন, এদিনই নাকি শুভেন্দুর নেতৃত্বে তার ভাই সৌমেন্দু অধিকারী বিজেপি দলে যোগদান করতে চলেছেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার খড়দহের একটি জনসভায় অংশগ্রহণ করে শুভেন্দু অধিকারী কার্যত স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, তার ঘরেও এবার পদ্মফুল ফুটতে চলেছে!

এমনকি তৃণমূলের যুব নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেও তিনি বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে ঢুকেও পদ্ম ফুল ফোটাতে চান তিনি! এই বক্তব্যের পরেই কার্যত শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সৌমেন্দু অধিকারীকে কাঁথির পুর প্রশাসকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে রাজ্য সরকার। এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেন তমলুকের অপর এক তৃণমূলীয় বিধায়ক তথা শুভেন্দু অধিকারীর অপর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারি। তৃণমূলীয় পদ থেকে বিতাড়িত হয়ে এবার গেরুয়া শিবিরের হাত ধরতে চলেছেন সৌমেন্দু অধিকারী।