বান্ধবী দামিনীকে সঙ্গে করে মা শ্রাবন্তীর হয়ে ভোটের প্রচারে ঝিনুক

সমস্ত দলের প্রস্তুতি প্রায় শেষের দিকে। অনেক জায়গায় তৃতীয় দফার ভোট সম্পন্ন হয়ে গেছে। রাজনৈতিক নেতারা নিজেদের মতো করে চেষ্টা করছেন জনগণকে দলে টানার। এরই মধ্যে রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন বেশকিছু কলাকুশলীরা। চলতি বছরে বড় অংকের কলাকুশলী এবং পরিচালকেরা যোগ দিয়েছেন রাজনীতিতে। সমালোচকদের বক্তব্য অনুযায়ী, গত বছর থেকে যেভাবে আর্থিক মন্দা যাচ্ছে কলাকুশলীদের, তাতে করে দলে দলে তারা যেন রাজনীতিতে। রাজনীতিতে যোগ দিলে যে আর্থিক মন্দা অনেকটাই কেটে যাবে তা বলাই বাহুল্য।

তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন বিজেপি প্রার্থী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। এতদিন যাকে অন্যরকম ভাবে আমরা দেখে এসেছি টিভির পর্দায়, শ্রাবন্তী বর্তমানে যোগ দিলেন বিজেপিতে। গত বছর থেকেই তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা-কল্পনা হয়। তবে আপাতত রাজনীতির খেলার আড়ালে সেই দাম্পত্য কলহ বন্ধ রয়েছে। তবে কিছুদিন আগেই রোশন সিং জানিয়েছেন যে, ভোট পর্ব মিটে গেলেই তাদের বিবাহ বিচ্ছেদের সম্ভাবনা প্রবল।

তবে রাজনৈতিক যুদ্ধ হোক অথবা ব্যক্তিগত, সর্বক্ষেত্রে শ্রাবন্তী পাশে পেয়েছেন তার একমাত্র পুত্র কে। এবারও তার অন্যথা হলো না। বান্ধবীকে পাশে নিয়ে ভোটের প্রচারে মাকে সাপোর্ট করার জন্য এসেছিলেন অভিমন্যু। একইসঙ্গে ক্যামেরা লেন্স বন্দী হলেন মা ছেলে এবং হবু বৌমা। গত কাল অর্থাৎ সোমবার পশ্চিম বেহালার ১১৮ এবং ১১৯ নম্বর ওয়ার্ডে বিশাল আয়োজন করে ভোট প্রচারে আলী সম্পন্ন করলেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী। এই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় তাকে মনোবল বাড়ানোর জন্য উপস্থিত ছিলেন তাঁর পুত্র এবং হবু পুত্রবধূ। সোমবারই বিশাল বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা দেখার জন্য রীতিমতো জমায়েত হয়ে ছিলেন বহু মানুষ।

অপরদিকে শ্রাবন্তী নিজেও খুব খুশি একমাত্র ছেলে এবং হব পুত্রবধূকে পাশে পেয়ে। তিনি সব সময় বলে এসেছেন যে, আমার ছেলে শুধুমাত্র আমার পাশেই থাকে সবসময়। যেকোনো পরিস্থিতিতে আমার মনোবল ভাঙতে দেয় না সে। এই কথাটি যে কত বড় সত্য তা আরও একবার প্রমাণিত হয়ে গেল।