ম’হা’রা’ষ্ট্রে অ’ক্সি’জে’ন অ’মি’ল, প্রথম ছুটলো “অক্সিজেন এক্সপ্রেস”

করোনা র প্রকোপে ইতিমধ্যেই অক্সিজেনের আকাল দেখা গেছে মহারাষ্ট্রে এবং দিল্লিতে। ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্রের অক্সিজেন চাহিদা মেটানোর জন্য এগিয়ে এলো তেলেঙ্গানা। বিশাখাপত্তনম থেকে উড়ে এলো অক্সিজেন এক্সপ্রেস। মহারাষ্ট্রের একাধিক হাসপাতালে দেখতে পাওয়া গেছে, ভীষণভাবে অক্সিজেনের ঘাটতি। গুরুতর রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে এলে অক্সিজেন দেওয়া যাচ্ছে না। তাই এই ঘাটতি মেটানোর জন্য বৃহস্পতিবার সকাল বেলা অক্সিজেন ট্যাংকার নিয়ে এই ট্রেন রাষ্ট্রীয় ইস্পাত নিগমের সুবিধা নিয়ে বিশাখাপত্তনম থেকে রওনা হয়েছে।

এই প্রসঙ্গে রেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, মহারাষ্ট্র থেকে ইস্পাত নিগমের কাছে সাতটি খালি অক্সিজেন ট্যাংকার এসে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার সকালে এই ট্যাংকার গুলি আসার পর সেগুলিতে লিকুইড মেডিকেল অক্সিজেন ভরা হয়। এরপর মহারাষ্ট্রের পাঠিয়ে দেওয়া হয় এগুলি। প্রতিটি ট্যাংকারে ১৫ টন লিকুইড অক্সিজেন ভরা হয়েছে। পূর্ব উপকূলের রেলওয়ের ওয়ালটেয়ার ডিভিশনের সঙ্গে যৌথভাবে যোগাযোগ করা হয়েছে। বর্তমানে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত উপকারী হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এই প্রসঙ্গে পীযূষ গোয়েল জানিয়েছেন যে, প্রথম অক্সিজেন এক্সপ্রেস লিকুইড অক্সিজেনে ভর্তি করে ভাইজাক থেকে মহারাষ্ট্রের দিকে রওনা হয়ে গেছে। এই সময়ে প্রত্যেকটি রাজ্যের পাশে দাঁড়িয়েছে রেল। নাগরিকদের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং অন্যান্য জিনিস এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া যাচ্ছে রেলের সাহায্যে।

অক্সিজেন এক্সপ্রেস নামক এই ট্রেন দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে অক্সিজেন নিয়ে প্রয়োজনীয় স্থানে পৌঁছে দেবে বলে জানানো হয়েছে। দেশে জরুরি অবস্থায় সব সময় রয়েছে রেল। প্রয়োজনীয় জিনিস পৌঁছে দিয়ে সাপ্লাই চেইন বজায় রাখতে চায় রেল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতলে ভর্তি রোগীদের গুরুত্ব বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের জন্য জেনারেল ম্যানেজার বিদ্যাভূষণ রেলওয়ে ম্যানেজার চেতন শ্রীবাস্তবের নেতৃত্বাধীন ওয়ার্ল্ড টিম কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।