OMG: দুই বাদুড়ের জিন মিশিয়ে বানানো হয়েছে ক’রোনা, অবশেষে প্রমাণ দিলেন চাইনিজ ভাইরোলজিস্ট

করণা ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল যে উহান, তা আমরা সকলেই জানি।ইতিমধ্যেই ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মহামারীর জন্য একমাত্র দায়ী করেছে চীন কে।বারবার এই অভিযোগ উপেক্ষা করলেও সকলেরই ধারণা যে চীন ইচ্ছাকৃতভাবে এই মহামারীর উদ্ভব করেছে। বিশ্বের দরবারে সবথেকে শক্তিশালী দেশ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য এই বুদ্ধি খাটিয়ে ছিলো।করোনাভাইরাস কে কেন্দ্র করে চীনের সঙ্গে একাধিকবার মনোমালিন্যে জড়িয়েছে ভারতসহ অন্যান্য দেশ। কিন্তু ক্রমাগত চীন একথাই বলে এসেছে, এই মহামারীর পেছনে তাদের কোনো হাত নেই। কিন্তু সম্প্রতি চীনের একজন বিজ্ঞানী দাবি করেছেন যে, মহামারীর গোটা বিষয়টি ধামাচাপা দেবার চেষ্টা করছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ বিষয়ে আর কোনো কথা বলতে চান না।চীনের বিজ্ঞানী ডঃ লি মেং দাবি করেছেন যে, গত ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে দুবার ওখানে নিউমোনিয়া গবেষণার কাজ হয়েছিল। তিনি গবেষণার কাজে যুক্ত ছিলেন। সেখানে গিয়ে তিনি দেখতে পান যে, এই সংক্রমণ কোন প্রাকৃতিক কারণে হয়নি। রীতিমতো পরিকল্পনামাফিক গবেষণা থেকে তৈরি হয়েছে এই মহামারী।তিনি তদন্তে প্রমাণ পেয়েছেন যে করোনাভাইরাস এর স্পাইক প্রোটিন পরিবর্তন করে এটিকে আরো সহজ করে তোলা হয়েছে যাতে খুব সহজে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে যেতে পারে।

গবেষণা চলাকালীন প্রাণনাশের হুমকি পান তিনি।এরপরই এই বিজ্ঞানী চীন থেকে পালিয়ে যান। আপাতত তিনি আছেন’ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। তিনি সম্প্রতি বিশ্বের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞানীদের সঙ্গে এই বিষয়ে নতুন করে গবেষণা শুরু করেছেন। মিং দাবি করেছেন যে, তার কাছে আমার অনেক তথ্য আছে যেটা সময় হলে তিনি সকলের কাছে প্রকাশ করবেন।তবে এখনো তার এই গবেষণাটি কোন বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশিত না হওয়ার কারণে একটি প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

তবে অন্যান্য বিজ্ঞানীরা মনে করছেন যে, এই বিজ্ঞানী যা বলেছেন তা যদি ঠিক হয়, তাহলে ধরে নেওয়া যাবে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর কথাই অবশেষে মিলে গেল। চীনের উহান থেকেই করোনাভাইরাস তৈরি হয়েছিল, সেখান থেকেই তা ছড়িয়ে পড়ে গোটা বিশ্বে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগে দাবি করেছেন যে এই বিষয়ে তাদের কাছে সমস্ত তথ্য প্রমাণ রয়েছে।