অন করলেই স্ক্রিনে ভেসে উঠছে অ্যাপ ব্লক, বন্ধ হয়ে গেল ইনস্টল করা টিকটকও

সোমবার ৫৯ টি চিনা অ্যাপ বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। এই অ্যাপগুলি নিষিদ্ধ করার কারণ হিসেবে ভারত সরকারের তরফ থেকে বলা হয়, এই চিনা অ্যাপগুলির সার্ভার ভারতের বাইরে রয়েছে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের তথ্য চুরি করা হচ্ছে। অ্যাপগুলি নিষিদ্ধ করার পরের দিনেই অফলাইন হয়ে গেল জনপ্রিয় অ্যাপ টিকটক। টিকটকের তরফে আবার জানানো হয়েছে, ভারত সরকার তাদের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে পাঠিয়েছে এবং গ্রাহকদের তথ্য সুরক্ষিত রাখার আশ্বাসও দিয়েছে টিকটক।

টিকটক এখন প্লে স্টোর এবং অ্যাপল অ্যাপ স্টোরেও পাওয়া যাচ্ছেনা। মঙ্গলবার দুপর থেকে ইনস্টল করা টিকটক অ্যাপও বন্ধ হয়ে যায়। টিকটক খুললেই বার্তা আসছে, ভারত সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী এই অ্যাপ বন্ধ করা হয়েছে। টিকটকের ভারতীয় শাখার প্রধান নিখিল গান্ধী টুইটারে বলেছেন, সরকারের তরফ থেকে টিকটক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সরকারের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ভারতীয় আইন মেনেই ডেটা সংরক্ষণ করা হয়। ভারতীয় গ্রাহকদের ডেটা চিন বা অন্য কোনও সরকারের সঙ্গে আদান প্রদান করা হয় না। ভবিষ্যতেও এরকম কিছু করা হবেনা বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, ভারতের ১৪ টি ভাষায় টিকটক ব্যবহারের সুযোগ দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকে গণতান্ত্রিক করা হয়েছে। কোটি কোটি ইউজার, শিল্পী, গল্পকথক, শিক্ষক, পারফর্মার টিকটকের উপর নির্ভরশীল। ভারতের টিকটকে প্রায় ২ হাজার কর্মী কাজ করেন।

সরকারের এই সিদ্ধান্তে সেই কর্মীদের একটা বড় অংশও উদ্বিগ্ন। ওই ২০০০ কর্মী ভারত সরকারের সমস্ত নিয়মকানুন মেনে কাজ করতে বদ্ধপরিকর। তবে অনেকেই মনে করছেন, ভারতে কয়েক কোটি টিকটক ইউজার রয়েছেন। ভারতে টিকটক নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তে টিকটকের মূল সংস্থা বাইটড্যান্স বিরাট ধাক্কা খেয়েছে। কোটি কোটি ইউজার হারিয়ে মাথায় হাত পড়েছে টিকটকের।