নন্দীগ্রামে অ’লি’তে গ’লি’তে ঘু’র’লো কে’ন্দ্রী’য় দল, ক’থা হলো গ্রামবাসীদের সা’থে

একুশের নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পরপরই রাজ্য জুড়ে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর পাওয়া যাচ্ছিল। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে একটি বিশেষ টিম পাঠানো হয়েছিল রাজ্যে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব শ্রীগোবিন্দ মোহনের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে এসে পৌঁছেছেন।

গতকাল অর্থাৎ শনিবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে কথা বলার পর কেন্দ্রীয় সদস্যদের ওই টিম নন্দীগ্রামে পৌঁছেছেন। গতকাল বিকেলে নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের হরিপুর হেলিপ্যাড ময়দানে নেমে কেন্দ্রীয় সদস্যরা মিলন বাজার, মাধবপুরসহ নন্দীগ্রামের নদী তীরবর্তী গ্রামগুলি ঘুরে দেখেন।

এদিন তারা কেঁদেমারি, বলরামপুর, জলপাই গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গেও কথা বলেন। স্থানীয় সদস্যদের অভিযোগ নথিবদ্ধ করেছেন তারা। পাশাপাশি যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে তাদের প্রতি পুলিশ কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তাও তারা জানতে চান। কেন্দ্রীয় সদস্যদের কাছে সন্ত্রাসের বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন গ্রামবাসীরা।

গ্রামের মহিলাদের অভিযোগ, সন্ত্রাসের জেরে তাদের কারও কারও স্বামী ঘরছাড়া হয়েছেন। কারোর আবার বাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত একুশের নির্বাচনী নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে দিয়ে জয়ী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির অভিযোগ ভোটের ফল প্রকাশের পর পরই তাদের কর্মী সদস্যদের উপর হামলা চালানো হচ্ছে নন্দীগ্রামে।

কেন্দ্রীয় শাসক দলের দাবি নন্দীগ্রাম থেকে এমন ভুরি ভুরি অভিযোগ পেয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার জন্য কেন্দ্রীয় সদস্যদের এলাকা পরিদর্শনের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রসঙ্গত রবিবার কেন্দ্রীয় সদস্যদের বীরভূমে যাওয়ার কথা আছে। কারণ ফলাফল প্রকাশের পর সেখান থেকেও বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছিল।