মাননীয়ার বাড়িতে পদ্ম ফোঁটাবো ১৬ ফেব্রুয়ারির আগেই, মমতাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

একুশের বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতি বেশ সরগরম। বিশেষত বিজেপি এবং তৃণমূল একে অপরকে লক্ষ্য করে ভোট পূর্ব কাদা ছোঁড়াছুঁড়ির রাজনীতিতে মেতে উঠেছে। বিজেপি দলের নবাগত সদস্য তথা তৃণমূলের প্রাক্তন হেভিওয়েট নেতা শুভেন্দু অধিকারী বিজেপি দলে যোগদান করতেই রাজ্যের রাজনীতি নতুন মাত্রা পেয়েছে। বিজেপির তরফ থেকে আয়োজিত বিভিন্ন সভা মঞ্চে রাজ্য শাসকদলের সমালোচনায় মুখর তিনি।

সোমবার তমলুকে বিজেপির নেতৃত্বে আয়োজিত সভায় অংশগ্রহণ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, আগামী ১৬ই ফেব্রুয়ারির আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়িতে পদ্ম ফুটবে! তিনি এও বলেছেন, তার নিজের বাড়িতে পদ্ম ফুটেছে, এবার রামনবমীর আগেই সব জায়গায় পদ্ম ফুটে যাবে! তার এই বক্তব্য প্রসঙ্গে রাজনৈতিক মহলে এক নতুন জল্পনার সূত্রপাত হয়েছে।

তার এই মন্তব্য আবারও রাজ্যের রাজনীতিতে দলবদল প্রসঙ্গকেই উস্কে দিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি এদিন তৃণমূলের যুব নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও একহাত নিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গতকাল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের তরফ থেকে আয়োজিত একটি সভায় শুভেন্দু অধিকারীকে “ঘুষখোর”, “মধুখোর” এবং “বিশ্বাসঘাতক” বলে কটাক্ষ করেন।

সেই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে পাল্টা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে “তোলাবাজ”, “চিটিংবাজ” বলে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তার পাল্টা প্রশ্ন, তিনি যদি ঘুষখোরই হবেন, তাহলে তৃণমূল এতদিন তাকে জোর করে ধরে রাখার প্রচেষ্টা কেন চালিয়েছিল? আত্মপক্ষ সমর্থনে তার যুক্তি, ২০১১ সালেও তার সম্পত্তি যা ছিল, আজও তাই রয়েছে, কিছুই বদলায়নি।