প্রবল গতিতে ধেয়ে আসছে দৈত্যাকার গ্রহাণু, নাসার তথ্যে আতঙ্কে গোটা বিশ্ব

এই করোনা আতঙ্কের মধ্যেই নাসা জানালো আরেক আতঙ্কের খবর। সেটা হল এবার নাকি ফের আরেক গ্রহাণু একেবারে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে খুব দ্রুত বেগে। আর সেই গ্রহাণু নাকি মিশরের গিজার পিরামিডের থেকেও দ্বিগুণ বড়ো। আগামী রবিবার ঠিক দুপুর তিনটে নাগাদ এই গ্রহাণু একেবারে পৃথিবীর গা ঘেঁষে বেরিয়ে যাবে। এখন এতোটাই কাছ দিয়ে যাবে এত বড়ো একটি গ্রহাণু, যার ফলে কি পৃথিবীর ওপরে কোনো প্রভাব পরবে, সেটা নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন, তবে নাসার তরফ থেকে জানিয়েছে পৃথিবীর ওপরে কোনো প্রভাব পরবে না।

এই যে গ্রহাণু যার নাম রাখা হয়েছে গ্রহাণুর নাম ৪৬৫৮২১ (২০১০এফআর), উচ্চতায় ৮৮৬ ফুট। এই গ্রহাণু অন্যসবের থেকে অনেকটাই কাছে চলে এসেছে, তার ফলে পৃথিবীর ওপরে কোনো প্রভাব? আসলে কোনো বস্তু পৃথিবীর একেবারে কাছে চলে আসলে তাকে বিজ্ঞানীরা নিয়ার অর্থ অবজেক্ট হিসেবে গণ্য করে। তাই সংবাদ মাধ্যম সূত্রে এই প্রশ্ন উঠেছিল, যে তাহলে হয়তো বিশাল একটা প্রভাব পরতে চলেছে, কিন্তু এই নিয়ে সেন্টার ফর নিয়ার আর্থ অবজেক্ট স্টাডিজের বিজ্ঞানীরা বলেছেন, ভয়ের কোনো কারণ নেই।

এইসব গ্রহাণুর সাথে পৃথিবীর সংঘর্ষের পরিমাণ খুবই কম থাকে, তবে মাঝে মাঝে দেখা যায় কোনো না কোনো গ্রহের মাধ্যাকর্ষণ টানে তারা অনেকটাই কাছে চলে আসে। এরসাথে বিজ্ঞানীরা আরও একটি জিনিস জানিয়েছে সেটা হল, অনেক সময় এইসব মহাজাগতিক বস্তু সূর্য থেকে তাপ শোষণ করে নিজেরা জ্বলে ওঠে, আর তাদের থেকে তাপ নির্গত হয়, আর তারপরেই তাদের দিক পরিবর্তন চোখে পরে, একেই বিজ্ঞানের ভাষায় বলে ইয়ার্কোভস্কি। তবে এর আগে কিন্তু এইসব গ্রহাণু অনেকবার পৃথিবীর বুকে আছড়ে পরেছে। আর এই আছড়ে পরার ফলেই কিন্তু দেখা গেছে পৃথিবীর বিবর্তন বাদ। কারণ একটা সময় ডাইনোসরের অবলুপ্তির পেছনে এই গ্রহাণুর হাত রয়েছে।