করোনাতে কার্যকরী ওষুধ জেনেরিক রেমডেসিভি, তৈরি করেছে বাংলাদেশ, সবুজ সংকেত আমেরিকার

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রেমডিসিভিতে সবুজ সংকেত দিয়েছে। তারপর থেকেই করোনা আবহে করোনার টিকা হিসেবে রেমডিসিভি ব্যবহারের অনুমতি পাওয়া গেছে। কিন্তু এরই মধ্যে এবার বাংলাদেশি সংস্থা এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড করোনা ভাইরাসের সঙ্গে যুদ্ধ করতে ও করোনা মোকাবিলায় জেনেরিক রেমডিসিভি করার দাবি জানাল। এতদিন অবধি করোনায় টিকা আবিষ্কৃত না হওয়ায় কার্যত প্রাণ হারিয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ। যদিও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ করোনার টিকা আবিষ্কার করতে মরিয়া। প্রথম পর্বে ভারতের হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনকে ব্যবহার করা হচ্ছিল কিন্তু তাতেও সা্য খুব একটা আসেনি।

আর তাই তো আমেরিকা ২৯ এপ্রিল রেমডিসিভিকে ব্যবহারের অনুমতি দেয়। এরপর বাংলাদেশে জেনেরিক। জানা গিয়েছে ওষুধ উতপাদনের পক্রিয়া কার্যত শেষের দিকে। এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে এসকেএফ-এর অন্যতম কর্তা সিমিন হোসেন জানান, “করোনা পরিস্থিতি নিয়ে দেশের এই কঠিন সময়ে আমরা দেশবাসীকে এই সুখবর দিতে চাই যে, বিশ্বে করোনার একমাত্র কার্যকর ওষুধ বলে স্বীকৃত জেনেরিক রেমডেসিভির উৎপাদনের সব ধাপ আমরা সম্পন্ন করেছি।”

ওষুধটির নাম দেওয়া হয়েছে রমিভির। তবে জানা গিয়েছে এসকেফাই বিশ্বের প্রথম রেমডিসিভির জেনেরিক তৈরিতে সক্ষম হয়েছে। তাই শীঘ্রই বাজারে আনতে প্রস্তুত। তবে শুধু অপেক্ষা অনুমতি পাওয়ার। পাশাপাশি আরও জানা গিয়েছে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা মার্চ মাস থেকে এই ওষুধ তৈরির কাজ শুরু করেছিলেন। দুই মাস ধরে কর্মীদের নিরলস পরিশ্রমের জেরে সাফল্য এসেছে। তাই ওষুধটি প্রয়োগে সাফল্য আসবে বলেও আশাবাদী।

প্রসঙ্গত, রেমডিসিভি সাধারণত মানুষের শিরায় প্রয়োগ করা হয়। এক্ষেত্রেও তাই। সিমিন জানান, প্রতি ডোজ পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকার মতো দাম হবে। ১০ দিনে ৫৫ হাজার টাকার মতো বাংলাদেশি টাকা দাম হতে পারে।