অবশেষে মৎসজীবীদের জালে উঠল ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ, খুশির হাওয়া বাঙ্গালিদের

বর্ষা আসতেই বাঙালির মন কেমন যেন ইলিশের দিকে ঝোঁকে। এবছর ইতিমধ্যেই বর্ষার আগমন ঘটে গেছে বাংলায়। তবুও, বাঙালির পাতেল ইলিশের দেখা মিলছিল না। তবে, মাছে-ভাতে বাঙালি জন্য সুখবর নিয়ে এলেন মৎস্যজীবীরা। ইতিমধ্যেই বাঙালির রসনা তৃপ্ত করতে ইলিশ মাছ ভর্তি ৬০টি ট্রলার এসে থামল বাংলায়। বুধ এবং বৃহস্পতিবারে মোট ৬০টি ট্রলারে করে প্রায় ৪০ টন ইলিশ মাছ বাংলায় নিয়ে এলেন মৎস্যজীবীরা। ইলিশের ওজন ৭০০ গ্রাম থেকে শুরু করে ১৫০০ গ্রামের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে।

ফলে বাজারে ইলিশের পাইকারি মূল্য হাজার টাকা থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত উঠতে পারে বলে মনে করছেন মৎস্যজীবীরা। উল্লেখ্য, প্রতিবছর ১৫ই জুন থেকে ইলিশ মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে নেমে পড়েন মৎস্যজীবীরা। বর্ষা শুরু হওয়ারমুহূর্তে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ঝাকে ঝাকে ইলিশ মাছ চলে আসে সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায়। এ বছরেও কাকদ্বীপের বিভিন্ন ঘাট থেকে চার দফায় প্রায় পাঁচ হাজার ট্রলার সমুদ্রে মৎস্য শিকারের উদ্দেশ্যে যায়। কিন্তু, আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় প্রতিবারই ব্যর্থ হয়ে ফিরতে হয়েছে মৎস্যজীবীদের।

তবে বিগত বেশ কয়েকদিন ধরে আবহাওয়া ইলিশ মাছ শিকারের পক্ষেই ছিল। সমুদ্রে এ কদিন “ইলশেগুঁড়ি” বৃষ্টি বা ঝিরিঝিরি বৃষ্টি চলছিল। তার সাথে বইছিল পূবালী হাওয়া, যাতে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ মাছ ইলিশ মাছ উঠে আসে মৎস্যজীবীদের জালে। মৎস্যজীবীরা জানাচ্ছেন, এখনো বেশ কিছু ট্রলার সমুদ্রেই রয়েছে। সেগুলি ফিরলে রুপালি ফসলের যোগান আরো বাড়বে বলেই আশা করছেন মৎস্যজীবীরা।