রাফালের গর্জনে কাঁপে শত্রু, কি রয়েছে এই যুদ্ধবিমানে, দেখে নিন

ভারত চিন সীমান্ত লড়াই, এটা নিয়ে নতুন করে বলার আর কিছুই নেই। কিন্তু ভারত এবার চিনের ওপরে কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতেই বিভিন্ন যে পদক্ষেপ গুলো নিচ্ছে, সেটা স্পষ্ট জানিয়েছে বিশেষজ্ঞরা। তার মধ্যে আজ রাফালের আনুষ্ঠানিকভাবে আম্বালা বেসে ১৭ তম স্কোয়াড্রনে যোগ দেওয়াটা অন্যতম। আজ রাফাল যোগ দিল ভারতীয় বায়ুসেনাতে। ১০ টা ১৫ মিনিট থেকে সেখানে অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু সবার মনে প্রশ্ন একটাই, সেটা হল কেন রাফালের আওয়াজে শত্রুপক্ষের বুক কাপে?

এই প্রশ্নের উত্তর রাফালের কাছেই আছে। কারণ রাফালের মধ্যে যেসব জিনিস আছে, যেসব আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এর সৃষ্টি, সেগুলো সত্যি অতুলনীয়। কিন্তু এই রাফাল কিন্তু ভারতের মাটি স্পর্শ করার আগে অনেক ধরনের রাজনৈতিক তরজা হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত ভারত পেয়েছে তার রাফাল। এখন দেখে নেওয়া যাক কি কি ধরনের বিশেষত্ব আছে এই রাফালে, যা শত্রু পক্ষকে একেবারে দমিয়ে দিতে সক্ষম।

১। রাফালের গতি সাংঘাতিক, যার ফলে সহজেই অন্য সব যুদ্ধবিমানকে ফাকি দিয়ে নিজের কাজ করে বেরিয়ে যেতে পারে রাফাল। ঘণ্টায় ২১৩০ কিমি, এছাড়াও রাফাল ১ মিনিটের মধ্যে ১৮ হাজার মিটার উচ্চতায় সহজেই উঠে যেতে পারে। যা কিনা অন্য সব যুদ্ধবিমান পারে না।

২।রাফাল তৈরী দুটি Snecma M88 ইঞ্জিন দিয়ে, যার ফলেই সহজেই শক্তি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

৩। আসলে রাফালের ভেতরকারবিভিন্ন বস্তুর সাথে তুলনা করলেই হবে না, যে কতটা বিশেষত্ব আছে তার মধ্যে, রাফালের বহিরাগত আবরণটাও ঠিক এমন। কারণ তার যে গঠন সেটা সহজেই হাওয়ায় লড়াই করতে আরও বেশী সাহায্য করে। রাফালের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ ১৫.২৭ মিটার ও ১০.৮০ মিটার।

৪। রাফালের জ্বালানি ভরা ট্যাঙ্ক টানা ১০ ঘন্টা হাওয়ায় উড়তে পারে, আর তার থেকেও যেটা অবাক করা সেটা কিন্তু চলমান অবস্থাতেই রাফাল তার জ্বালানি ভরতেও সক্ষম।

৫। রাফালের যে র্যা ডার ও এভিওনিক্স আছে, সেটা দারুণ অত্যাধুনিক, আর সেই কারণেই ডজ দিয়েই শত্রুপক্ষকে বোকা বানানো সম্ভব।

৬। এয়ার-টু-এয়ার মেটিওর মিসাইল, এয়ার-টু-গ্রাউন্ড স্কাল্প মিসাইল এবং হ্যামার মিসাইল সাথে ৭৩০ এ ট্রিপল ইজেক্টর র্যা ক, স্কাল্প ইজি স্টর্ম শ্যাডো, ড্যামোক্লস পড, এএএসএম, এইসব অস্ত্র সহ মিসাইল বসানো, যার ফলে রাফাল যখন আকাশে উড়ে বেড়ায়, তখন তাকে দানব বললেও ভুল বলা হবে না।