চিন্তা বাড়লো স্বাস্থ্যসাথীর “ডুপ্লিকেট” কার্ডে, ফিরিয়ে দিচ্ছে হাসপাতাল

রাজ্যের প্রতিটি মানুষকে স্বাস্থ্য খাতে বিশেষ অনুদান দেওয়ার লক্ষ্যে সর্বস্তরের প্রতিটি পরিবারের জন্য বিশেষ “স্বাস্থ্য সাথী” কার্ড প্রদান করছে রাজ্য সরকার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিকল্পনা অনুসারে “দুয়ারে দুয়ারে সরকার” প্রকল্পে রাজেশ সর্বস্তরের মানুষ “স্বাস্থ্য সাথী” প্রকল্পের আওতায় আসতে পারছেন। এই প্রকল্প অনুসারে রাজ্যের প্রতিটি পরিবার বছরে অন্তত পাঁচ লাখ টাকার স্বাস্থ্য পরিষেবা পাবেন।

গত এক মাস ধরেই এই প্রকল্প শুরু হয়েছে। সরকারি বয়ান অনুসারে, দুয়ারে দুয়ারে সরকার প্রকল্প চালু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত রাজ্যে অন্তত পাঁচ লক্ষ স্বাস্থ্য সাথী কার্ড বিলি করা হয়েছে। তবে কার্ড নিয়ে হয়রানি শেষ নেই সাধারন মানুষের। স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নিয়েও পরিষেবা মিলছে না, রাজ্যের প্রায় প্রতিটি প্রান্ত থেকেই এই অভিযোগ বারবার উঠছে।

রাজ্য সরকার প্রণীত স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নিয়ে এবার এক নতুন অভিযোগ উঠলো। কার্ডের মাধ্যমে স্বাস্থ্যপরিসেবা নিতে গিয়েও প্রত্যাখ্যাত হচ্ছেন রোগী। হাসপাতালের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে, এই কার্ড আসল কার্ড নয়, “ডুপ্লিকেট কার্ড”। “ডুপ্লিকেট কার্ড” নিয়ে স্বভাবতই হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। হাসপাতাল থেকে পরিষেবা পাচ্ছেন না তারা।

কিন্তু কেন এমনটা হচ্ছে? রাজ্য সরকারের বয়ান অনুসারে, যাদের আগেই স্বাস্থ্য সাথী কার্ড ছিল তাদেরই মূলত এই সমস্যা হচ্ছে। একবার স্বাস্থ্য সাথী কার্ড হয়ে যাওয়ার পর যারা পুনরায় আবেদন করে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড বানিয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় কার্ডটি ডুপ্লিকেট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আবার পরিবার ভেঙে যাওয়ার কারণে যারা নতুন করে কার্ড বানাতে আসছেন, তাদের ক্ষেত্রে এই একই সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মোট কথা, স্বাস্থ্য সাথী কার্ড হাতে পেয়েও পরিষেবা পাচ্ছেন না অনেকেই।