কন্যা সন্তানের সন্দেহ, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর গলা টিপে মেরে কুঁচি কুঁচি করে কেটে জ্বালাল স্বামী

প্রতীক ছবি

ঘরোয়া হিংসার শিকার হলেন এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলা। পেটে বাচ্চা নিয়েই দিতে হলো প্রাণ। রাগের মাথায় স্বামীর হাতে খুন হতে হলো ওই অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে। এই নির্মম ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের রায়বেরিলিতে। জানা গিয়েছে, ওই মহিলা আগেই দুই মেয়ের জন্ম দিয়েছেন। ওই মহিলার পেটে আরো একটি কন্যা সন্তান রয়েছে বলে সন্দেহ হয় ওই ব্যক্তির। স্ত্রীর উপর শারীরিক নির্যাতন করতো ওই ব্যক্তি।

বেশ কয়েকদিন ধরে এরকমই চলতে থাকে তাদের মধ্যে। একদিন ঝগড়া, মারপিট চরম আকার ধারণ করলে গর্ভবতী স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুন করে বসে ওই ব্যক্তি। শেষে প্রমাণ মেটানোর জন্য স্ত্রীর গোটা শরীর কুচিকুচি করে কেটে আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। শেষে সেই দেহের ছাই কয়েক কিমি দূরে ফেলে দিয়ে চলে আসে।এতো কিছু তাদের বড়ো মেয়ে নিজে চাক্ষুষ করেছে।

নিজের মাকে চোখের সামনে মরতে দেখেছে ওই মেয়েটি। কিন্তু আতঙ্কের চোটে কাউকে কিছুই বলতে পারেনি সে। এতদিন ভয়ে ভয়ে থাকার পর পুলিশকে সবকিছু জানিয়ে দেয় ওই মেয়েটি। শেষে পুলিশি জেরায় সবকিছু স্বীকার করেন অভিযুক্ত ব্যাক্তি রবীন্দ্র কুমার। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিকে ওই অন্তঃসত্ত্বা বধূর ছোট বোনের অভিযোগ, দুই কন্যা সন্তান জন্মানোর পর থেকেই শারীরিক ও মানসিক ভাবে অত্যাচার করা হতো দিদিকে।

স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে এনিয়ে চরম অশান্তি হতো মাঝে মাঝেই। কিন্তু সবকিছু মুখ বুজে সহ্য করতো সে। অভিযুক্ত স্বামী রবীন্দ্র চেয়েছিল এবার পুত্রসন্তানের জন্ম হোক, দু বার মেয়ে হবার পর এবারও মেয়ে সন্তানের জন্ম হবে বলে সন্দেহ ঢোকায় ওই ব্যক্তির মনে।ওই ব্যক্তির মনে হয়েছিল এবারও মেয়ে সন্তানের জন্ম হবে, তাই শুধু সন্দেহ ও রাগের বশে স্ত্রীকে গলা টিপে খুন করে বসে। গলায় কাপড় পেঁচিয়ে খুন করা হয় তাকে। এই ঘটনা উত্তরপ্রদেশে ব্যাপকভাবে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

সমস্তরকম এক্সক্লুসিভ খবর পেতে লাইক করুন