৩ টি গোপন রহস্যের মধ্যেই লুকিয়ে আছে বিবাহিত জীবনের মূলমন্ত্র, কি বলেছিলেন চাণক্য, জানুন

চাণক্য একজন মহান বিদ্বান হবার পাশাপাশি একজন ভালো শিক্ষক ছিলেন। তিনি বিখ্যাত তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন। তিনি চাইতেন যে তার শিক্ষার্থীরা তার দেখানো পথ অনুসরণ করে জীবনে সাফল্য অর্জন করুক। চাণক্য একইসঙ্গে রাজনীতি অর্থনীতি এবং সমাজবিজ্ঞান অধ্যায়ন করতেন। তিনি তাঁর জ্ঞানের অভিজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছেন নানা স্থানে। তিনি বিশ্বাস করতেন, তিনি যে কথা বলে গেছেন, তা বহু যুগ পর্যন্ত মানুষের পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজে দেবে। সত্যই চাণক্যের নীতি আজও বিংশ শতকের মানুষের জীবনে সমানভাবে উপকারী হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।

চাণক্য বিশ্বাস করতেন যে,আরে স্বামী এবং স্ত্রীর সম্পর্ক এই জগতের সব থেকে দ্রুত এবং স্থিতিস্থাপক সম্পর্ক।কোন রক্তের সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও একজন স্বামী এবং স্ত্রী শুধুমাত্র বিশ্বাস এবং সম্মান এর উপর ভিত্তি করে একে অপরের সঙ্গে কাটিয়ে দিতে পারেন সারা জীবন।যে সমস্ত স্বামী-স্ত্রী চাণক্যের দেখানো পথে হেঁটে যেতে পারে তাদের জীবন হয়ে ওঠে সুখে ভরপুর। বৈবাহিক জীবন কে নিয়ে চাণক্য কিছু উপদেশ দিয়ে গেছেন যা আজও মানুষের জন্য সমানভাবে কার্যকরী।

একে অপরের প্রতি বিশ্বাস: চাণক্য মতে যে কোন সম্পর্কের প্রথম শর্ত হতে হবে বিশ্বাস। যতক্ষণ না কোন সম্পর্কে প্রতি আপনার বিশ্বাস তৈরি হয়, ততক্ষণ সেই সম্পর্ক সার্থক হতে পারে না। স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কে বিশ্বাসের ভিত্তিতে তৈরি হয় একটি জীবন। এই সম্পর্কে কখনো অবিশ্বাস চলে গেলে তা বেশিদিন টেকে না।

একে অপরের প্রতি সম্মান: চাণক্য নীতি অনুযায়ী স্বামী স্ত্রীর তাকে অপরের প্রতি যথাযথ সম্মান থাকা উচিত। বৈবাহিক জীবনে যদি একে অপরকে শ্রদ্ধার চোখে না দেখা যায়, তাহলে সেই সম্পর্ক অদূর ভবিষ্যতে ভেঙে যেতে পারে। যে সম্প্রতি একে অপরের প্রতি সম্মান দেখাতে পারেনা, তাদের জীবনে প্রবেশ করে অশান্তি।

একে অপরের শক্তি হওয়া: চাণক্য নীতি অনুযায়ী স্বামী এবং স্ত্রী কে একে অপরের প্রতি শক্তি হয়ে দাঁড়ানো উচিত। জীবনে অনেক দূর সময় আসবে যেখানে স্বামীর কাছে স্ত্রীর ঢাল হয়ে দাঁড়ানো উচিত। স্বামী যেখানে দুর্বল হয়ে যায়, সেখানে স্ত্রী প্রাচীরের মতো দাঁড়ায়, আবার স্ত্রী দুর্বল হয়ে গেলে তাকে আগলে রাখে স্বামী। চাণক্যের মতে,স্বামী এবং স্ত্রীর অনুভূতি যদি রক্ত থাকে তাহলে যে কোন সংখ্যার তারা খুব সহজেই কাটিয়ে উঠতে পারবেন। একটি আদর্শ দম্পতি সর্বদা জীবনে সাফল্য অর্জন করতে পারেন।