দশ দ’ফা নি’র্দে’শ রাজ্য সরকারের, সরকারি অফিসে হা’জি’রা ৫০ শ’তাং’শ, জেনে নিন

দেশের করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠছে। বর্তমানে দেশের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজ্যের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। অথচ এখনই লকডাউনের কোনো পরিকল্পনা নেই রাজ্য কিংবা কেন্দ্রের। তাই আপাতত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে রাজ্যে করোনা সম্পর্কিত দশ দফা নির্দেশিকা প্রকাশ করা হলো। উক্ত নির্দেশিকায় গতবছরের মতোই বেশকিছু সতর্কতামূলক নির্দেশিকা জারি করা হল রাজ্যের তরফ থেকে। এর মধ্যে রয়েছে।

এক, রাজেশ যে জায়গাগুলিতে ভিড় বেশি হয়, জনসমাগম বেশি থাকে সেখানে এবং গণপরিবহন মাধ্যমগুলিতে যাতে প্রতিটি মানুষ মাস্ক যথাযথভাবে পড়েন এবং স্যানিটাইজার ব্যবহার করেন, তার প্রতি দৃষ্টি রাখতে হবে স্থানীয় প্রশাসনকে।

দুই, সরকারি-বেসরকারি অফিস এবং ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য শিল্প বাণিজ্য সংস্থাগুলি যাতে সপ্তাহে অন্তত একবার স্যানিটাইজ করা হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

তিন, অফিস-কাছারি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলির পাশাপাশি প্রতিটি বাজারকেও উপযুক্ত ভাবে স্যানিটাইজ করতে হবে।

চার, দৈনিক বা সাপ্তাহিক বাজারগুলিতে গেলে অথবা গন পরিবহনের ক্ষেত্রে মাস্কের উপযুক্ত ব্যবহার এবং একে অপরের প্রতি নির্দিষ্ট সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

পাঁচ, দোকান, বাজার এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলিতে কাজের সময় ভাগ করে দিতে হবে যাতে এক সময়ে সাধারণ মানুষের ভিড় বেশি না হয়।

ছয়, রাজ্য সরকারি অফিসে প্রতিদিন ৫০ শতাংশ কর্মী উপস্থিত থাকতে পারবেন। অর্থাৎ প্রতিদিন ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়েই রাজ্য সরকারি অফিসের কাজকর্ম পরিচালিত হবে।

সাত, বেসরকারি সংগঠন গুলির ক্ষেত্রে কর্মীরা যাতে work-from-home করতে পারেন সেই ব্যবস্থার উপর জোর দিতে হবে।

আট, প্রত্যেক কর্মস্থলের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা নজর রাখবেন সেই স্থলে উপস্থিত কর্মীরা ‌প্রত্যেকে সঠিকভাবে মাস্ক পরছেন কিনা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখছেন কিনা।

নয়, শপিং মল, মাল্টিপ্লেক্স ,রেস্টুরেন্টে এবং হোটেলের প্রবেশ এবং বাহির পথে অবশ্যই হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হ্যান্ডওয়াশ এবং থার্মাল স্ক্যানিং এর ব্যবস্থা রাখতে হবে।

দশ, গতবছর স্টেডিয়াম এবং সুইমিং পুল গুলির জন্য যে নিয়ম নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল সেগুলি এ বছরও পালন করতে হবে।

এ রকমই একগুচ্ছ নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে রাজ্য সরকার। করোনার সংক্রমণ এড়াতে লকডাউনের বদলে কড়া নিয়ম নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে। এই নিয়মের বেড়াজাল না মানলে সামনে সমূহ বিপদ। নয়তো আগের তুলনায় বহুগুণ শক্তিশালী করোনার দাপট থেকে মানব জাতিকে রক্ষা করা মুশকিল হয়ে পড়বে।