বছরের শেষদিনে মায়ের মন্দিরে চুরি, বিগ্রহের চোখ উপড়ে নিলো চোরেরা, ঠাকুরপুকুরে গহনা চুরি

গতবছরের তিক্ততা কাটিয়ে সকলেই প্রস্তুতি নিয়েছেন নতুন বছরের জন্য।আগামী বছর সকলের শুভ হোক এই কামনা জানিয়ে শুরু করেছেন সকলেই নিজের জীবন। কিন্তু আদৌ কি আগামী বছর শুভ হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। এখনো পর্যন্ত করোনা ভ্যাকসিন পাওয়া যায়নি। মহামারী থেকে আমরা সম্পূর্ণ পরিমাণে নির্মূল হতে পারিনি। তার মধ্যেই যেভাবে একের পর এক মানুষ চলে যাচ্ছেন, তাতে করে কিভাবে আগামী বছর শুরু হবে তা বোঝা যায় না।

তবে আশায় ভর দিয়ে মানুষকে বেঁচে থাকে, তা আমাদের সকলেরই জানা। তাই এক মুহূর্তের জন্য সেই আশা ছেড়ে দিতে রাজি নই আমরা। তবে কিছু ঘটনা বারবার আমাদের আশাহত করে।তেমনই একটি ঘটনা ঘটে গেল ঠাকুরপুকুর এলাকায়।

বর্ষশেষের রাতে মায়ের মন্দিরে হল বড়োসড়ো চুরি। স্বাভাবিকভাবেই আমার একটি ঘটনা ঘটে যাবার ফলে সকলেরই মন খারাপ।প্রায় ৪০০ বছর পুরনো বরিশা শ্মশানকালীতলা মন্দিরের ভেতরে ঢুকে গিয়ে বিগ্রহের চোখ নিয়ে পালালো ডাকাতেরা। শুধুমাত্র তাই নয়, মায়ের দেহ থেকে সোনার অলংকার ও খুলে নিয়ে চলে গেছে তারা।

বছরের প্রথম দিন ঘুম থেকে উঠেই এমন একটি কান্ড ঘটে যাবার পর সেই এলাকার মানুষের মন খুব খারাপ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন যে, সকালে উঠেই তারা দেখতে পান যে মায়ের মন্দিরের দরজা ভাঙা। তাড়াতাড়ি করে ভেতরে গিয়ে দেখেন যে, বিদ্রোহের চোখ উপড়ে নেওয়া হয়েছে। আরো প্রচুর সোনার অলংকার চুরি করে নেয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় লক্ষাধিক টাকার চুরি হয়েছে সেই মন্দিরে।

ইতিমধ্যেই ঠাকুরপুকুর থানায় খবর দেয়া হয়েছে। সেখানকার পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে নেমেছে। কি করে সবার অজান্তে এত বড় চুরি হলো, তা নিয়ে এখনো কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। এলাকার বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। মায়ের মন্দিরের প্রধান পুরোহিত এবং অন্যান্য কর্মচারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য ডেকে পাঠিয়েছেন পুলিশ। তবে এই রকম একটি কাণ্ডে সকলেরই মন যে খুবই আশাহত তা বলার অপেক্ষা রাখে না।