‘উত্‍সব থেকে কেউ বঞ্চিত হবেন না’, মহামারী আবহে দুর্গাপুজো নিয়ে আশ্বাস দিলেন মমতা

আজ মহালয়া। মহালয়ার ঠিক ৩৫ দিনের মাথায় এবার দুর্গা ষষ্ঠীর দিন রয়েছে। বাঙালি সবথেকে বড় পার্বণ দুর্গাপুজো। এক বছর ধরে প্রত্যেক বাঙালি অপেক্ষা করে থাকেন এই চারটি দিনের জন্য। অন্যান্যবার পুজোর ঠিক ৬ মাস আগে থেকেই পূজা সম্পর্কে বাঙালির তৎপরতা শুরু হয়ে যায়। তবে এবারের চিত্রটা একেবারেই অন্যরকম। করোনা মহামারীর প্রকোপে বিপর্যস্ত দেশ। করোনাসুরের উপদ্রবে বাঙালির উৎসাহে ভাটা পড়েছে। তবে তারই মাঝে দুর্গোৎসবের আনন্দ খুঁজে নিতে চায় বাঙালি।

করোনা পরিস্থিতির মাঝে কিভাবে দুর্গোৎসব পালন করা যাবে, আদেও দূর্গা পূজা পালন করা যাবে কিনা, করতে গেলে কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে, সে সম্পর্কে জানতে উৎসুক বাঙালি। মহালয়ার দিনেই তাই রাজ্যবাসীর দুশ্চিন্তার কিছুটা হলেও নিরসন করে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশ্বাস দিয়ে জানালেন, করোনা মহামারী যতই প্রভাব বিস্তার করুক, বাঙালির দুর্গোৎসব পালনে কোনো রকম বাধা দিতে পারবে না।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট বার্তায় রাজ্যবাসীকে “মহালয়ার প্রতিশ্রুতি” দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, মহামারীর কারণে সতর্কতার সঙ্গে উৎসব পালন করতে হবে। কিন্তু তা কোনোভাবেই দুর্গোৎসবের উৎসাহকে দমিয়ে দিয়ে নয়। মুখ্যমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, দূর্গা পূজার আনন্দ থেকে কেউ বঞ্চিত হবেন না। এদিন অপর একটি টুইট বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী দুর্গোৎসব উপলক্ষে প্রত্যেক রাজ্যবাসীকে মিলিতভাবে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, রাজ্যবাসীকে মহালয়ার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এদিনের টুইটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে ট্যাগ করে তিনি লিখেছেন, আজকের এই শুভ দিনে সবাই মিলে প্রার্থনা করি, যাতে বিশ্ব থেকে মহামারী দূর হয়। সমস্ত অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটুক। আশার আলোয় প্রজ্বলিত হয়ে উঠুক পশ্চিমবাংলা। উল্লেখ্য, আগামী ২৫শে সেপ্টেম্বর দুর্গাপুজোয় অবশ্য পালনীয় বিধি নিষেধ সম্পর্কে আলোচনা করার জন্য বৈঠকে বসবেন মুখ্যমন্ত্রী। এই বৈঠকের পরই জানা যাবে, কি কি নিয়ম মেনে এবার বাংলায় দুর্গোৎসব পালন করা যাবে।

সব খবর সরাসরি পড়তে আমাদের WhatsApp  Telegram  Facebook Group যুক্ত হতে ক্লিক করুন