কোনো উন্নয়ন হয়নি, অনেক কাজ বাকী, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সামনে পেয়ে আবদার গ্রামবাসীদের

উন্নয়ন না হওয়ার কারণে শেষ পর্যন্ত গ্রামবাসীরা কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাছে আবেদন করল, রুট মার্চ করতে আসা সেনাবাহিনীদের কাছেই অবাক ভাবে দাবি জানালো গ্রামবাসীরা। আসলে ঘটনাটি ঘটেছে আসানসোল পুরো নিগমের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে লছমনপুর মাঝি পাড়া এলাকায়।সেখানে স্থানীয় থানার অনুমতি নিয়েই রুটমার্চ করতে বেরিয়ে ছিলেন কেন্দ্রীয় সেনাবাহিনীর দল। সেখানেই যখন তারা গ্রামবাসীদের জিজ্ঞেস করে যে কোন ভয়ের কারণ আছে কিনা? তখন গ্রামবাসীরা জানায় কোন ভয়ের কারণ নেই কিন্তু গ্রামের প্রচুর কাজ বাকি রয়ে গেছে তাই সেই সমস্ত অন্তত কাজ পূরণ করে দিন।

স্বাভাবিকভাবেই এই ধরনের আবদারে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অনেকটাই বিপাকে পড়ে যায়, তৎক্ষণাৎ সেখান থেকে বেরিয়ে আসার জন্য তাদের দেওয়া সান্তনা ঠিক আছেটাই কাজে লাগে। কিন্তু প্রশ্ন হল কাউন্সিলর থাকা সত্ত্বেও কেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাছে এই দাবি জানালো সাধারণ মানুষ? ভোটের আগে এই ধরনের ব্যবহার প্রতি যে তৃণমূল কোন একটা চাপে ফেলবে তা স্পষ্ট।এই নিয়ে বিজেপি কটাক্ষ করে বলেছেন ১০ বছরের মধ্যে যদি কোন উন্নয়ন না করা হয় তাহলে স্বাভাবিক, গ্রামবাসীরা কোনো উপায় না পেয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাছে আবদার করবেন।

বিজেপি আরো বলেছেন কোথায় গেল দুয়ারে দুয়ারে সরকার কোথায় গেল পাড়ায় পাড়ায় সমাধান সূত্র।যদি গত ১০ বছরের মধ্যে কিছুটা হলেও উন্নয়ন করা হতো তাহলে এমনভাবে সাধারণ মানুষ কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাছে আবদার জানাত না। এদিকে এদিকে আবার তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শুভাশিস মুখোপাধ্যায় বলেছেন, বাবুল সুপ্রিয় কেন্দ্রীয় সংসদ।তিনি কোন উন্নয়ন করেনি সেই কারণে সাধারণ মানুষ কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাছে আবদার জানাচ্ছে যাতে অন্তত সরকারের কাছে বার্তা পৌছায়।

একুশে বাংলার বিধানসভা নির্বাচন করানোটা নির্বাচন কমিশনের কাছে একটি দারুণ চ্যালেঞ্জ। গত কয়েক দিন আগেই বাংলা সফরে এসেছিলেন নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ।তারা বিভিন্ন জায়গা পরিদর্শন করেছেন এবং সমস্ত ব্যাপারটা বুঝে গেছেন।তাদের একুশে বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কেন্দ্রীয় সেনাবাহিনী মোতায়েন করার ব্যাপারে জানা হলে, তারা জানায়। নিয়ম মেনেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে ধাপে ধাপে সংখ্যা বাড়ানো হবে।।