তলে তলে অনেকেই অ’প’ছ’ন্দ করে থাকেন এই রা’শি’র জাতক-জাতিকাদের! জানুন বিস্তারিত

রাশি বিষয়ে সঠিক জ্ঞান থাকলে একটি মানুষ সম্পর্কে অনেক কিছুই বলে দেওয়া যায়। আপনার আশেপাশের মানুষজনেরা আপনাকে কতখানি ভালো চোখে দেখে তা আপনার রাশি থেকেও বেশ কিছুটা জানা যায়। কোন পোষ্য আপনার জন্য কতখানি উপযুক্তত তা আপনার রাশি থেকে দেখে নেয়া যাক।

মেষ– এই রাশির জাতকদের অনুমান করে বলা যায় তারা নাকি সহজ হয় না। সেই কারণে বন্ধুমহলে মানুষজনেরা তাদের নাকি গোপনে অপছন্দ করে।

বৃষ– এই রাশির জাতকেরা নাকি ভীষণ আত্মকেন্দ্রিক হয়। সবকিছুই এদের নিজেকে ঘিরে। তাই মানুষজনের থেকে দূরত্ব বজায় রাখে।

মিথুন– এই রাশির মানুষরা অনেক মজারু হয়। এরা মজার ছলে অনেক কথা বলে। এবং তা অনেকে সহ্য করতে না পেরে কষ্ট পান। সেই কারণে মিথুন রাশির জাতকদের অনেকে অপছন্দ করেন।

কর্কট– কর্কট রাশির মানুষদের উপস্থিত বুদ্ধি অনেক বেশি হয়। এরা অন্যের সাথে কখনো কোনো আপোষ করেননা। তাই অনেক মানুষ এদেরকে স্বার্থপর ভেবে দূরে সরিয়ে দেয়।

সিংহ-এই রাশির জাতকরা নিজেদের প্রশংসা নিজেরাই করে ফেলেন। সেই কারণে মানুষ এদেরকে একটু দূরে সরিয়ে রাখে।

কন্যা– এই রাশির মানুষরা একটু ধীর প্রকৃতি ও শান্ত প্রকৃতির হয়। এই কারণে মানুষের অনেক সময় অপছন্দ করে। কিন্তু ধীর হলেও এরা যে কাজটি করে সেটা নিখুঁতভাবে করে।

তুলা-রাশির মানুষরা অনেক নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে।এবং এই জন্য এদের মধ্যে অনেক সময় অনেক সমস্যার সৃষ্টি হয়। যার ফলে মানুষের সাথে দূরত্ব বাড়তে থাকে।

বৃশ্চিক– এই রাশির মানুষের জীবনে অনেক ধরনের অনেক সমস্যা সৃষ্টি হয়। এরা নেগেটিভ চিন্তাভাবনা বেশি করে। এরা জীবনে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়।এজন্য এদের আশেপাশের মানুষরা অনেক সমস্যায় পড়ে।এই কারণে এদেরকে মানুষ অনেক সময় অপছন্দ করে।

ধনু– এই রাশি কোন সম্পর্ক বা যাবতীয় যা কিছু ভুলে নিজের কাজের মেতে থাকে ব্যস্ত থাকে। একটা সময় পর এরা এই কারণে বিষয় একাকী হয়ে যায়।

মকর– এই রাশির মানুষরা সবকিছু নিজের মনের ভেতর পুষে রেখে দেয়। কারো সাথে শেয়ার করে না। সেই কারণে অনেকের থেকে দূরে সরে থাকে। এবং মানুষের এই কারণে পছন্দ করে।

কুম্ভ– এই রাশির জাতক-জাতিকার অনেক মিশুকে হয়। এদের বন্ধু-বান্ধব অনেক বেশি থাকে। কিন্তু এরা নিজেদের মতামত নেওয়ার ফলে অনেক দূরে সরে যায় বন্ধুমহলে একে অনেকে অপছন্দ করে।

মীন– এই রাশির মানুষরা অন্যদের খুশি করতে গিয়ে উপকার করতে খিয়ে অনেক সময় অন্যদের সমস্যায় ফেলেন। উচিত কথা বলার কারণেই এদেরকে অনেকে অপছন্দ করে। এদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখে। দূরে সরিয়ে রাখে।