ভোটব্যাংকের জন্যই বাংলায় জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে সরকার, বিস্ফোরক মন্তব্য দিলীপ ঘোষের

সম্প্রতি জাতীয় তদন্তকারী দলের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে কুখ্যাত জঙ্গী সংগঠন আল-কায়েদার আট জন সদস্য। এদের মধ্যেতিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কেরালা এর্নাকুলাম থেকে। বাকি ছয় জনকেই পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরপর থেকেই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে জঙ্গিদের মদত দেওয়ার অভিযোগ তুলছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গকে বোমা তৈরীর কারখানা বলে চিহ্নিত করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।

এবার ঘটনা প্রসঙ্গে রাজ্য সরকারেরবিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দিলীপ ঘোষ কেরালা এবং পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলে বলেছেন, সারাদেশে শান্তি বজায় আছে। একমাত্র কেরালা এবং পশ্চিমবঙ্গ বাদে। উপত্যকা অঞ্চলের কিছু অংশে এখনো অশান্তি ছড়াচ্ছে, তবে শীঘ্রই তা ঠিক হয়ে যাবে। তিনি আরো বলেছেন, সবথেকে বেশি জঙ্গী কার্যকলাপ চলছে পশ্চিমবঙ্গ এবং কেরালাতে।

দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, রাজনৈতিক সুবিধা লাভের উদ্দেশ্যে এই রাজ্যে জঙ্গী কার্যকলাপে মদত দিচ্ছে সরকার। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে তার অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের সীমান্তের ১ হাজার কিলোমিটার এলাকায় এখনো অব্দি কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হয়নি। বাম আমল থেকেই এই গাফিলতি চলে এসেছে। এখন তৃণমূল সরকারও রোহিঙ্গা জনজাতি এবং অন্যান্য অনুপ্রবেশকারীদের ভোটে ভোটযুদ্ধে জিততে অনুপ্রবেশ আটকানোর কোনো চেষ্টাই করছে না।

দিলীপ ঘোষের পাশাপাশি বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাজীব সিনহা বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গ বর্তমানে সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আতঙ্কবাদীরা বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গেই নিরাপদ আশ্রয় পেয়ে যাচ্ছে। রাজ্য সরকার ভোট ব্যাংকের রাজনীতি করতে ব্যস্ত। তাই অনুপ্রবেশকারী আতঙ্কবাদীদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিতে চাইছেন না। রাজীব সিনহা অবিলম্বে পশ্চিমবঙ্গে সরকারের তরফ থেকে জঙ্গী এবং আতঙ্কবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর দাবি তুলেছেন।