জুলাই মাসেই মানবদেহে করোনা টিকা ‘কোভ্যাক্সিন’ প্রয়োগ, সবুজ সংকেত দিল কেন্দ্র

গোটা বিশ্বে ভয়াবহ হয়ে উঠেছে করোনা ভাইরাস। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু। গোটা বিশ্বে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি পর হয়ে গিয়েছে, মৃত্যু হয়েছে ৫ লক্ষের উপরে। বিশ্বের নানা প্রান্তের বিজ্ঞানীরা করোনার ভ্যাকসিন তৈরি করার জন্য রাত দিন এক করে কাজ করছেন। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি ভ্যাকসিন আবিষ্কারে সফলতার খুব কাছাকাছি চলে এসেছে।

এবার সোমবার রাতে কোভ্যাক্সিনের হিউম্যান ট্রায়ালের ছাড়পত্র পেল ভারত বায়োটেক। এই সংস্থা করোনার প্রতিষেধক তৈরিতে প্রথম কোনও ভারতীয় ওষুধপ্রস্তুতকারক সংস্থার নাম উঠে আসল। সংস্থার হায়দরাবাদের দপ্তরে প্রাণীর উপর কোভ্যাক্সিন প্রয়োগ করা হয়েছে এবং এতে সাফল্য মিলেছে। গোটা ভারত জুড়ে জুলাই মাসে প্রথম ২ পর্বের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলবে। ভারত বায়োটেকের সঙ্গে এই কাজে রয়েছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা(WHO) এর তালিকা অনুযায়ী, গোটা বিশ্বে ১২০ নিয়ে কাজ চলছে এবং এর মধ্যে কোভ্যাক্সিন এবং চ্যাডক্সের নাম সবার আগে রয়েছে। অন্যদিকে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যাডক্স ভ্যাকসিনের হিউম্যান ট্রায়ালের খবর শিরোনামে রয়েছে। অক্সফোর্ড এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্যোগে এই চ্যাডক্স ভ্যাকসিন নিয়ে ব্রাজিলের একটি সংস্থার সঙ্গে মোটা অঙ্কের চুক্তি হয়েছে।

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটও জানিয়ে দিয়েছে, ২০ লক্ষ থেকে ৩০ লক্ষ ভ্যাকসিন তারা তৈরি করে ফেলবে খুব শিগ্রই, হিউম্যান ট্রায়ালের ফল ভালো হলেই মানুষকে এই প্রতিষেধক দেওয়া যেতে পারে। চিনের বেজিংয়ের একটি ল্যাবেও ভ্যাকসিন তৈরির কাজ খুব দ্রুত চলছে।